১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পারেদেসদের মারামারির ঘটনা তদন্ত করবে ফিফা

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে স্পেনের গার্সিয়া ও গাভির ওপর হাত তোলেন আর্জেন্টিনার পারেদেস, রদ্রির ওপর চড়াও হন মলিনা, ওলমোকে আঘাত করেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Jul 2026, 10:30 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:42 PM

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে স্পেনের কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও কোচদের মারামারির ঘটনায় অবশেষে ফিফার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানা গেল। ওই ঘটনার শাস্তিমূলক তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। 

নিউ জার্সিতে ফাইনালে ১০৬তম মিনিটে ফেররান তরেসের গোলে দ্বিতীবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় স্পেন। তবে ফাইনাল শেষে মাঠের ভেতরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আড়াল করে দেয় ফুটবলীয় লড়াইয়ের অনেক কিছুকেই।

ফাইনালে সেদিন স্পেনের ছন্দময় ফুটবল ও বল ধরে রেখে খেলার সামনে অসহায় ছিল আর্জেন্টিনা। লিওনেল স্কালোনির দলের বেশ কজন ফুটবলারকে মাঠে মেজাজ হারাতে দেখা গেছে। এন্সো ফের্নান্দেস তো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠই ছাড়েন। এছাড়াও হলুদ কার্ড দেখেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, আলেক্সিস মাক আলিস্তের, লিসান্দ্রো মার্তিনেসরা।

ম্যাচের পরের ঘটনা অবশ্য ছাপিয়ে গেছে সবকিছুতেই। স্পেনের এরিক গার্সিয়া ও গাভিকে যেভাবে আক্রমণ করেন লেয়ান্দ্রো পারেদেস, তা বলা যায় নজিরবিহীন। এছাড়া নাউয়েল মলিনাকেও দেখা যায় সেখানে সংঘর্ষে জড়াতে। চড়াও হন তিনি রদ্রির ওপরও। এমনকি আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ ও সাবেক অধিনায়ক রবের্তো আয়ালাকে দেখা যায় দানি ওলমোকে আঘাত করতে। 

আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি ও অন্য কয়েকজন ফুটবলার পরিস্থিতি শান্ত করতে ছুটে আসেন। টিভি ধারাভাষ্যে তখন বলা হয়েছিল, পারেদেসকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। তবে ফিফা পরে জানায়, সেই লাল কার্ড তুলে নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি ফিফা এটাও নিশ্চিত করেছে যে, পরবর্তী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তারা একটি শাস্তিমূলক পর্যালোচনা শুরু করেছে।

“স্পেন ও আর্জেন্টিনার ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রাসঙ্গিক ম্যাচ প্রতিবেদনগুলো মূল্যায়নের পর এবং ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোড (এফডিসি)-এর ৩৬ নং ধারা অনুসারে, ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটি ম্যাচ পরবর্তী ঘটনাগুলোর বিষয়ে এফডিসির সম্ভাব্য লঙ্ঘন তদন্ত করার জন্য একজন ডিসিপ্লিনারি অ্যান্ড এথিকস প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে।

প্রসিকিউটরের প্রতিবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর ফিফা ডিসিপ্লিনারি কমিটির পক্ষ থেকে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।”

তদন্ত শেষ করার জন্য কোনো সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি।

ম্যাচে মাত্র একটি হলেও বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে একতরফা ফাইনালগুলোর একটি ছিল এটি। ১২০ মিনিটেও গোলে একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা।