Published : 12 Feb 2026, 10:28 AM
সিলেট-৩ আসনের বালাগঞ্জ উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে জালভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে মারামারি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়নের মৈশাষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে বলে সিলেটের রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছেন, পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির তারিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেন। বিষয়টি টের পেয়ে কেন্দ্রের বাইরে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ঘেরাও করে।
এ সময় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে গড়ায়। এতে কেন্দ্র এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সিলেটের রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, “মৈশাষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঝামেলা হয়েছে। এক প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়ার জন্য ওই প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তার ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।"

সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ মালিক বলেন, “প্রিজাইডিং কর্মকর্তার উপস্থিতিতে রাতে ব্যালটে সিল মারা শুরু হয়েছিল। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
১১-দলীয় জোটের মনোনীত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুসলেহ উদ্দীন রাজু বলেন, “এজেন্ট কার্ড দেওয়ার কথা বলে আমাদের ডেকে নেওয়া হয়েছিল। আমার অনুসারীরা যখন কার্ড গ্রহণের জন্য সই করছিলেন, ঠিক তখনই তাদের ঘেরাও করে জালভোটের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হেনস্তা করা হয়েছে।”