মতিঝিলের ‘সন্ত্রাসী’ বাপ্পি ও তার সহযোগী ৭ দিনের রিমান্ডে
কোরবানির ঈদের আগে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাপ্পি ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় মতিঝিল এলাকার ‘সন্ত্রাসী’ তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।
শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম তাদের সাত দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিঝিল থানার এসআই মোমিনুর রহমান তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আসামিদের আইনজীবী রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি বিচারক আদেশ দেন।
বাপ্পিকে শুক্রবার সকালে মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকা থেকে এবং তার সহযোগী রাকিবুলকে দুপুরে কমলাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যে সেদিন রাতেই দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ইলেকট্রিক শক গান, চাইনিজ কুড়াল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ইসমাইল হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোরবানির ঈদের আগে গত ১৫ মে রাতে চাঁদা দাবি করেন বাপ্পি। ইসমাইল মতিঝিলের ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশে কোরবানির অস্থায়ী হাটের ইজারাদার। হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে বাপ্পি গরুর হাটে তার মনোনীত লোক রাখার জন্য চাপ দেন। এসময় ইসমাইলের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকাও চাঁদা দাবি করেন।
অভিযোগে বলা হয়, বাপ্পির মনোনীত লোক হাটে না রাখলে এবং চাঁদা না দিলে গুলি করে ইসমাইলকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ১৯ মে ভোরে ইসমাইলের অফিসে গুলি চালানো হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২০ মে মতিঝিল থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন ব্যবসায়ী ইসমাইল।
