০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন বিচারক ও তিন পুলিশ সদস্য

মঙ্গলবার ফরেনসিক বিভাগের দুই চিকিৎসকের সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে।

মাগুরা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 May 2025, 02:42 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:41 PM

মাগুরার আলোচিত ৮ বছরের সেই শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ষষ্ঠ দিনে চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত।

সোমবার বেলা ১১টায় মাগুরার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মনিরুল ইসলাম মুকুল।

এর আগে সকাল ১০টায় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।

পিপি মুকুল বলেন, সোমবার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, হিটুর শেখের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সব্যসাচি রায়, ঢাকার গুলশান থানার এসআই আনজু মনোয়ারা এবং মাগুরার রেকর্ড অফিসার মাগুরা সদর থানার ওসি আইয়ুব আলী। ধর্ষণের ফলে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে তারা সাক্ষ্য দেন।

এ নিয়ে মোট ২৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করল আদালত। এ মামলায় মোট ৩৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। মঙ্গলবার ফরেনসিক বিভাগের দুই চিকিৎসকের সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী স্বাধীনভাবে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। আদালতে আসামিদের নির্দোষ বলে যুক্তি উপস্থাপন করেন তাদের আইনজীবী। আসামিরাও নিজেদের নির্দোষ হিসেবে দাবি করেন।

আদালত থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধান আসামি হিটু শেখ বলেন, “আমার ছেলে সজিবের স্ত্রীর সঙ্গে এক যুবকের সর্ম্পক রয়েছে। যার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তাদের ধরেন তাহলে, সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে।”

এ সময় তিনি মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন। যদিও এর আগে হিটু শেখ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার সময় এ ঘটনার সঙ্গে তিনি একাই জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

শ্রীপুর উপজেলার আট বছরের শিশুটি ১ মার্চ মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বড় বোনের বাড়ি বেড়াতে আসে। সেখানে সে ৬ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয়। প্রথমে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়।

সবশেষ চিকিৎসারত অবস্থায় ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শিশুটি মারা যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা মাগুরা সদর থানায় মেয়ের শ্বশুর হিটু শেখ, জামাই সজীব শেখ, তার ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা রোকেয়া বেগমের নামে মামলা করেন। পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

১৩ এপ্রিল আলোচিত এই মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন। আসামি রোকেয়া বেগমকে তথ্য গোপন, সজিব শেখ ও তার ভাই রাতুল শেখের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন অভিযোগ আনা হয়েছে।

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ-হত্যা: পঞ্চম দিনে চিকিৎসক-নার্সের সাক্ষ্য

মাগুরায় শিশু ধর্ষণ-হত্যা: তৃতীয় দিনে ১০ জনের সাক্ষ্য

মাগুরার সেই শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

মাগুরার সেই শিশু ধর্ষণ-হত্যার বিচার শুরু

মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা: ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের শুনানি

মাগুরার সেই শিশু ধর্ষণ: হিটু শেখের ডিএনএ প্রতিবেদন, 'সব পজিটিভ

মাগুরার সেই শিশুটির পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ

মাগুরার সেই শিশুটির বোনকে আর শ্বশুরবাড়ি পাঠাবে না পরিবার

মাগুরায় শিশুটির বাড়িতে জামায়াতের আমির, পাকা বাড়ি করে দেওয়ার ...

মাগুরায় শিশুটির বাড়িতে বিএনপি নেতারা, দিলেন সহযোগিতার আশ্বাস

শোকাচ্ছন্ন মাগুরার জারিয়া গ্রাম

সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে মাগুরায় পৌঁছাল শিশুর মরদেহ