Published : 14 Aug 2025, 11:55 PM
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ‘সাদাপাথর’ এলাকায় বালু-পাথর লুটের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসন আগে থেকে সতর্ক ও নজরদারি করলে লুটপাটকারীরা এমন বেপরোয়া হতে পারত না।
তারা বলছেন, এখন লুট হওয়া পাথর উদ্ধার করে প্রশাসন ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু তাতে পরিবেশ-প্রকৃতির যে ক্ষতি হয়েছে; তা কি আসলেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব? আর যে পরিমাণ পাথর লুট করে নেওয়া হয়েছে, প্রশাসনের পক্ষে কি আদৌ সেই ক্ষতি পূরণ সম্ভব?
নাকি এটা আলোচনা-সমালোচনার মুখে জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের একটি `লোক দেখানো’ উদ্যোগ তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশবাদীরা।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ বলেন, “আমরা আশা করছি, শিগগির যে পাথর চুরি হয়ে গিয়েছিল, সেগুলোকে পুনরুদ্ধার করে এখানে আবার প্রতিস্থাপন করতে পারব। এটা একটি সময় সাপেক্ষ বিষয়। আমরা সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি।
“এ ছাড়া এখানের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে, সেই ক্ষতি যেন আর কেউ করতে না পারে এবং যারা এই কাজে জড়িত ছিল তাদের গ্রেপ্তারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আইন যেভাবে আমাদের পারমিট করে সেভাবে এগুলো আমরা করব।”
গত বছরের ৫ অগাস্ট পটপরিবর্তনের পর থেকেই সিলেটের অন্যান্য পাথর কোয়ারির মত সাদাপাথরেও শুরু হয় ব্যাপক লুটপাট। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে এ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়লে দুদকসহ স্থানীয় প্রশাসন নড়েচড়ে বসে।
সাদাপাথর হিসেবে পরিচিত ধলাই নদের উৎসমুখে বিপুল পরিমাণ পাথর জমা হয়েছিল। লাগামহীন লুটপাটের কারণে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এ পর্যটনকেন্দ্র।
দিনের বেলা প্রকাশ্যেই সেই সব পাথর নৌকা করে নিয়ে লুট করা শুরু হয়। প্রতিদিন শত শত নৌকা দিয়ে লুটের পাথর পরিবহন করা হয়। নদী তীরের বালি খুঁড়েও লুটপাট চলে।
এই অবস্থার মধ্যে বৃহস্পতিবার হাই কোর্ট ভোলাগঞ্জে পর্যটনকেন্দ্র ‘সাদাপাথর’ থেকে লুট হওয়া পাথর সাত দিনের মধ্যে উদ্ধার করে যথাস্থানে প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে।
এর মধ্যেই বুধবার রাত ও নৌকায় করে সেখানে পাথর প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন বলছে, ১২ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করে নদীতে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া ১৩০টি ট্রাক জব্দ করেছে।
কমে গেছে পর্যটক
বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে সাদাপাথর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, আগের মত পর্যটকদের চাপ নেই। নৌকা ঘাটেও কমেছে কোলাহল। সাদাপাথর দেখতে আসা কিছু পর্যটক ছবি তুলছেন, কেউ জলে বসে সময় কাটাচ্ছেন।
সেখানে থাকা দোকানে-দোকানে নানা পণ্যের সমারোহ, তবে ক্রেতা নেই। ঘোড়া চালকরাও বেকার সময় কাটাচ্ছেন।
তবে পাথর লুট নিয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে কিছু বারকি নৌকা দিয়ে সাদাপাথর পর্যটন স্পটের জলে পাথর ফেলা হয়েছে।
একজন ঘোড়া চালক প্রশ্ন রাখেন, “এখন এখানে কয়েক বারকি (নৌকা) পাথর ফেলে কী হবে? প্রশাসন আগে থেকে নজরদারি করলে, সতর্ক থাকলে এমন হতো না। লুটপাট তো একবছর ধরেই চলছে। প্রশাসন দেখেনি এটা বিশ্বাসযোগ্য না।”
স্থানীয়রা মনে করেন, সাদাপাথর নিয়ে এখন যেহেতু অনেক বেশি আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তাই প্রশাসন এটা করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু কতদিন এটা থাকে সেটাই দেখার বিষয়।
তবে পর্যটকদের নির্ভয়ে সাদাপাথর এলাকা ভ্রমণের আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ। তিনি পর্যটকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা সাদাপাথরে আসুন। এখানকার পরিবেশ এখনও পর্যটনবান্ধব।”

‘এভাবে লুটপাট আগে দেখিনি’
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক কাসমির রেজা বলেন, লুটপাটে সাদাপাথরের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আসলে পূরণ করার মত। এভাবে পাথর উদ্ধার করে সাদাপাথরে ফেলে পুরোপুরো ক্ষতি পূরণ সম্ভব না। তবে প্রশাসন চেষ্টা করছে, সেটাকে আমরা সাধুবাধ জানাই। এই চেষ্টা আগে করলে এমন হত না।
“ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে গেছে। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে না উঠলে আগের মত হবে না। আর কী পরিমাণ পাথর উদ্ধার করা যাবে সেটাও বুঝা যাচ্ছে! কারণ অনেক পাথর সিলেট থেকে আরও আগে অন্য স্থানে চলে গেছে।”
সিলেটের ট্রাভেল ফটোগ্রাফার এম এ কে সুমন বলেন, “আসলে সাদাপাথরে এভাবে পাথর ফেলে সবোর্চ্চ শতকরা ২০ ভাগ পুনরুদ্ধার করা যাবে বলে আমার মনে হয়। তবে প্রশাসন ও দায়িত্বশীলরা যদি আগে কঠোর হতেন তাহলে এমন হত না। এটি আমাদের সিলেটের পর্যটনের বড় ক্ষতি হয়েছে। সিলেটে কোনো পর্যটন স্পটে এ রকম লুটপাট হতে আগে দেখেনি।”
সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, “মাটির গঠনের সঙ্গে পাথরের একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পাথর সরিয়ে নেওয়ায় বালি, অনুজীব ও পাথরের প্রাকৃতিক আন্তঃসম্পর্ক ভেঙে গেছে। এতে পরিবেশের যে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে, তা পুরোপুরি ফেরানো সম্ভব নয়।”
তবে পাথর ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগকে ‘ইতিবাচকভাবে’ দেখা উচিত বলে মনে করেন এই শিক্ষক। তিনি বলেন, “কারণ এতে অন্তত পরিবেশের প্রতীকী দৃশ্যপট কিছুটা ফিরবে। তবে বালি ও অনুজীবের সঙ্গে মাটির যে প্রাকৃতিক সম্পর্ক, তা পুনর্গঠনে দীর্ঘমেয়াদী সময় লাগবে।
“এক্ষেত্রে সময়ে যদি মানুষের বিচরণ বেড়ে যায়, তাহলে ফিরিয়ে দেওয়া পাথরগুলো তার প্রাকৃতিক সেটেলমেন্টে ফিরে পেতে ব্যাঘাতের শিকার হবে। তাই সরকারেরও উচিত সাদাপাথর এলাকায় মানুষের চলাচল সীমিত করা।”
আরও ৩ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং পর্যটনকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া তিন হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হওয়া অভিযান সন্ধ্যায়ও চলছে বলে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান।
তিনি বলেন, “প্রশাসন, পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে পিয়াইন নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থান থেকে তিন হাজার ঘনফুট লুটের পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা পাথর ফের জাফলং জিরো পয়েন্টে নৌকা দিয়ে ফেলা হয়েছে।”
ইউএনও বলেন, জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে কিছু দুষ্কৃতকারী রাতের আঁধারে বৃষ্টির মধ্যে কিছু পাথর সরিয়ে ফেলছিল। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ নেই। এরপর থেকে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ-বিজিবির টহল অব্যাহত আছে।
“আরও যে যে জায়গায় এসব পাথর পাওয়া যাবে, আমরা তা উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে যাব। চুরি হওয়া পাথর ফেরত না আসা পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।”
অভিযানে গোয়াইনঘাট থানার ওসি সরকার মো. তোফায়েল আহমদ, সংগ্রাম বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু কাওসার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় উপস্থিত রয়েছেন।

‘আগে সীমিত মাত্রায় ছিল, এবার মাত্রা ছাড়িয়েছে’
বিকালে সাদাপাথর এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ। পরে তিনি সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, “সাদা পাথর এলাকায় সম্প্রতি যে লুটপাট হয়েছে, তা রোধে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যারা এই অবৈধ কাজে জড়িত, তাদের গ্রেপ্তারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জেলা প্রশাসক বলেন, বুধবার জেলা পর্যায়ের একটি সভায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর বাস্তবায়ন রাত থেকেই শুরু হয়েছে।
সরকারি দায়িত্বে থাকা সবাই দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, কিছু অসাধু ব্যক্তি অবৈধভাবে ক্ষতিসাধন করছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ক্ষতির মাত্রা আগের তুলনায় বেড়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।”
তিনি আরও বলেন, “৫ অগাস্টের পর যে লুটপাট হয়েছে, তা দ্রুত বন্ধে কার্যক্রম চালানো হয়েছিল। এতদিন বিষয়টি একটি সীমিত মাত্রায় ছিল, কিন্তু এবার তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।”
ধরার ‘নাগরিকবন্ধন’
সিলেটের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার দাবিতে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা-ধরা, পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট, সিলেট এবং সুরমা রিভার ওয়াটার কিপার সংগঠনের উদ্যোগে ‘সংক্ষুব্ধ নাগরিকবন্ধন’ কর্মসূচিতে হয়েছে।
বিকাল সাড়ে ৩টায় সুরমা নদী তীরে ক্বিন ব্রিজ সংলগ্ন আলী আমজাদের ঘড়ি ঘরের বিপরীতে সাদাপাথর, ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি, উৎমাছড়া, জাফলং, লোভাছড়াসহ সিলেট অঞ্চলে পাথর লুটের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা দায়ীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।
ধরিত্রী রক্ষায় আমরা-ধরা সিলেট শাখার আহ্বায়ক মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী বাহারের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব সুরমা রিভার ওয়াটার কিপার আব্দুল করিম কিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধরার সদস্যসচিব শরীফ জামিল।
ধারণা বক্তব্য রাখেন- ধরার আজীবন সদস্য সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক। বক্তব্য দেন পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট, সিলেটের ট্রাস্টি স্থপতি জেরিনা হোসেন, সিলেট আইনজীবী সমিতির সভাপতি সরওয়ার আহমেদ চৌধুরী আবদাল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজিয়া চোধুরী, জাসদের যুগ্ম সম্পাদক এমরান আল আমিন, বাংলাদেশ জাসদ সিলেটের সভাপতি জাকির আহমেদ, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক স্থপতি কৌশিক সাহা, সহযোগী অধ্যাপক মো. এমদাদুল হক, শিল্পকলা একাডেমির সদস্য শামসুল বাসিত শেরো, সচেতন নাগরিক কমিটি সিলেটের সভাপতি অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার, ধরার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক পরিষদের সদস্য ফাদার যোশেফ গোমেজ, বাসদ জেলা সংগঠক উজ্জ্বল রায়, জালালাবাদ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান চৌধুরী, সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদের সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের তানজীনা বেগম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুদীপ্ত অর্জুন, হবিগঞ্জ ধরার সদস্যসচিব তোফাজ্জল সোহেল, ক্যাটারাস গ্রুপ সিলেটের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবলু, একসেস বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মো. এনামুল হক এনাম, ধরা সিলেটের সদস্য প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট অরুপ সেন বাপ্পী, রেজাউল কিবরিয়া, অ্যাডভোকেট জাকিয়া জালাল ও রুমেনা রুজি, প্রবাসী সমাজকর্মী ফারমিস আক্তার, ভাসানী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ আহমেদ, চারণ সংস্কৃতিক কেন্দ্র সিলেটের নাজিকুল ইসলাম রানা।
ধরার সদস্যসচিব শরীফ জামিল বলেন, “সিলেটের পাথর হচ্ছে লুটের কাঁচা টাকা। এর সঙ্গে অনেক রকম স্বার্থের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। সরকারের সদিচ্ছা আর সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া মাথার উপর মেঘালয়কে মরণফাঁদ বানিয়ে আত্মহত্যার এই প্রচেষ্টাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। সাম্প্রতিক পাথর লুট একটি অপূরণীয় ক্ষতি। অবিলম্বে যারা পাথরলুটের সঙ্গে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি প্রদান করতে হবে।”
আরও পড়ুন:
'সাদাপাথর': লুটের পাথর মাটি দিয়ে ঢাকছেন ব্যবসায়ীরা
লুট হওয়া ১২ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার, ফেলা হয়েছে 'সাদাপাথরে'
লুটের পাথর এক সপ্তাহের মধ্যে উদ্ধারের নির্দেশ