Published : 08 Dec 2025, 08:05 PM
ভারত থেকে আমদানির খবরে বগুড়ায় কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজ দাম। আগের দিন বিক্রি হওয়া ১৫০ টাকা কেজির পেঁয়াজ এখন পাওয়া যাচ্ছে ১২০ টাকায়। তবে এখনও বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ আসেনি।
রোববার ভারত থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ৬০ টন এবং দিনাজপুরের হিলি দিয়ে ৩০ টন পেঁয়াজ প্রবেশের পর থেকে দেশের খুচরা ও পাইকারি বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বগুড়ার সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজার রাজাবাজারে গিয়ে কোনও আমদানি করা পেঁয়াজ দেখা যায়নি। তবে বাজারে দেশি পেঁয়াজের কোনো কমতি চোখে পড়েনি। বিক্রেতারা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমে আসবে।
পেঁয়াজ বিক্রেতা উজ্জ্বল আহাম্মেদ বলেন, “পেঁয়াজের দাম একদিনেই কমে যাওয়ায় আমরা লোকসানে পড়ে গেছি। হাট থেকে বেশি দামে কিনে এখন কমদামে বিক্রি করতে হচ্ছে।”
বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা শহরের মালতিনগরের আরিফ হোসেন এবং জ্বলেশ্বরীতলার আব্দুল হামিদ বলেন, পেঁয়াজের দাম কমতে থাকায় তারা খুশি। বাজারে গেলে যা ইচ্ছে তাই দাম চায় বিক্রেতা। বাধ্য হয়ে এক কেজির জায়গায় ২৫০ গ্রাম পেঁয়াজ কিনতে হয়।

বাজার সিন্ডিকেট ভাঙ্গার জন্য পেঁয়াজ আমদানি করা জরুরি। তাছাড়া দেশে এত পেঁয়াজ উৎপাদন হলেও দাম কেন কমে না বলেও প্রশ্ন তোলেন ক্রেতারা।
তিন মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে।
রোববার বিকাল ৪টায় রকি ট্রেডার্স নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ৩০ টন পেঁয়াজ ভারত থেকে হিলি বন্দরে প্রবেশ করে।
৩ মাস বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি
সোমবার বন্দর এলাকায় ভারতীয় পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করার কথা জানিয়েছেন হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা আহাম্মদ আলী।
ক্রেতা হিলি বন্দরের শাহেদ আলী বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ না আসলে দাম কমত না।
হিলি স্থল বন্দরের শুল্ক ও রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বলেন, দুপুর পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আসেনি। বিকালে আসতে পারে বলে আমদানিকারকরা তাকে জানিয়েছেন।