Published : 07 Aug 2025, 09:45 PM
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্ত থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকার ২১টি সোনার বারসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি। সোনার বারগুলো ভারতে পাচারের উদ্দেশে বহন করা হচ্ছিল বলে ভাষ্য সীমান্তরক্ষা বাহিনীর।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরচন্দ্রপুর সীমান্ত থেকে সোনার বারগুলো জব্দ করা হয় বলে জানান বিজিবি-৬ চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক হায়দার আলী।
গ্রেপ্তার আবদিন মিয়া জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে।
রাত ৮টায় বিজিবি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে সোনা পাচারের প্রস্তুতির গোপন খবর পায় বিজিবি। পরে বিজিবির একটি টহল দল ঈশ্বরচন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থান নেয়।
দুপুরে মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তিকে সীমান্তের দিকে যেতে দেখলে তাদের থামার সংকেত দেয় বিজিবি। এ সময় মোটরসাইকেল থেকে নেমে একজন পালিয়ে গেলেও অন্যজন পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। পেরে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করেন।
আটক আগে আবদিন তার কাছে থাকা একটি প্যাকেট পানিতে ছুঁড়ে ফেলেন। পরে তার শরীর তল্লাশি করে আরেকটি প্যাকেট জব্দ করা হয়। তবে পানিতে ছুঁড়ে ফেলা প্যাকেটটিও তাৎক্ষণিক উদ্ধার করেন বিজিবি সদস্যরা।
দুটি প্যাকেট থেকে দুই কেজি ৪৪৯ গ্রাম ওজনের ২১টি সোনার বার পাওয়া যায়; যার আনুমানিক বাজারমূল্য তিন কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান।
এ ঘটনায় বিজিবি সদস্য নায়েক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আটক আবদিন ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা করেছেন বলে জানান তিনি।
পরে আবদিনকে দর্শনা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর এবং জব্দ করা সোনার বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।