Published : 17 Jul 2026, 10:16 PM
নরসিংদীর মাধবদী থানায় তিন মাস বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র্যাব-১১-এর নরসিংদী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তার ফারজানা আক্তার ওরফে লতা (৩০) শিশুটির চাচি।
র্যাব জানায়, সম্প্রতি মাধবদীর পাইকারদী এলাকায় তিন মাস বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি শিশুটির মায়ের গোপনে রাখা মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়েছিল।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক নারী খাটে শুইয়ে রাখা শিশুর পা মুচড়ে দিয়ে দৌড়ে ঘর হতে বেরিয়ে যান। ব্যাথায় শিশুটি কান্না শুরু করে।
ভিডিওতে দেখা ওই নারী শিশুটির চাচি ফারজানা আক্তার লতা। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে শিশুটির পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হলেও, পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তার পা ভাঙেনি।
ঘটনার পর শিশুর পরিবার কোনো অভিযোগ করেনি। পরে শিশুর সঙ্গে এমন নির্মমতা বন্ধে ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রবেশন অফিসার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়।
মামলায় ফারজানা আক্তার লতা, তার স্বামী কাউছার আহমেদ (৩৩) এবং বাবা আলমাছ মিয়াকে (৬০) আসামি করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, মামলার পর তারা ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লতার অবস্থান শনাক্ত করে রূপগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে বুধবার মামলার অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফারজানা আক্তার লতাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মাধবদী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
আরও পড়ুন: