১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

তিন পার্বত্য জেলায় ১৩ এপ্রিল ‘চৈত্র সংক্রান্তির’ ছুটি

দেশের অন্য জেলায় ‘সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী’ সেদিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Mar 2025, 06:30 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:22 PM

পাহাড়ে বর্ষবিদায়ের সামাজিক উৎসব উদযাপনে আগামী ১৩ এপ্রিল তিন পার্বত্য জেলায় ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে এই ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। 

সেখানে বলা হয়েছে, ‘চৈত্র সংক্রান্তি’ উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাধারণ ছুটি থাকবে। দেশের অন্য জেলায় ‘সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী’ ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন। 

এই ছুটির দিনে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। 

তবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবার মত জরুরি পরিষেবায় নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। 

এ ছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এই সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী, চিকিৎসক, ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। 

১৩ এপ্রিল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। 

তার পরদিন ১৪ এপ্রিল সারা দেশেই পহেলা বৈশাখের সাধারণ ছুটি থাকবে। 

পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার আয়োজনই পাহাড়ের প্রধান সামাজিক উৎসব, যাকে বলে বৈসাবি। 

চাকমাদের ‘বৈসু’, মারমাদের ‘সাংগ্রাই’ এবং ত্রিপুরাদের ‘বিহু’- তিন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসবের আদ্যক্ষর থেকে ‘বৈসাবি’ নামকরণ হয়েছে। 

প্রতিবছর ১২ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনে পাহাড়িরা এ উৎসব উদযাপন করেন।