Published : 29 Jun 2025, 08:37 PM
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় আলোচিত ধর্ষণকাণ্ডে ভিডিওচিত্র ধারণ ও ফেইসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আটক চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় তাদেরকে কুমিল্লা জেলা জজ আদালতে হাজির করা হলে ১১ নম্বর বিচারিক আদালতের বিচারক মুমিনুল হক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে আদালত পরিদর্শক সোহেল সাদেক।
তিনি বলেন, “পর্ণোগ্রাফি আইনের মামলায় চার আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করার পর তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।”
চারজন হলেন- মুরাগনগর উপজেলার মো. সুমন, রমজান আলী, মো. আরিফ ও মো. অনিক।
অপরদিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফজর আলীকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তারের পর পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সুস্থ হলে তাকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার কুমিল্লা জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে মুরাদনগরে একটি গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফজর আলী নামে এক ব্যক্তি আটক ও পিটুনির শিকার হয়। পরে ফজর সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে কিছু ব্যক্তি ভুক্তভোগীর ভিডিও ধারণ করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। পরে মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ‘আইনানুগ ব্যবস্থা’ গ্রহণ করে।
মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান বলেন, ফজর আলীকে আসামি করে শুক্রবার মামলা করেছেন এক হিন্দু নারী। বাদীর মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান বলেন, “ধর্ষণের শিকার নারীর আপত্তিকর ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি আমরা পর্যালোচনা করি। এরপর অভিযান চালিয়ে চারজনকে আমরা গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসি।”
আরও পড়ুন:
মুরাদনগরের লজ্জা: ধর্ষক ধর্ষকই, নেই অন্য পরিচয়