Published : 28 Jun 2026, 11:50 PM
দেশে প্রথমবারের মত আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
ছাত্র ও ছাত্রীদের আটটি করে মোট ১৬টি ওজন শ্রেণির প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা ১০টি স্বর্ণ, চারটি রৌপ্য ও দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতে শিরোপা নিশ্চিত করেন। তিনটি স্বর্ণ, চারটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
রোববার বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়ামে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আব্দুল আলিম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ।
তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ শিক্ষার্থী অংশ নেন। শুক্রবার শুরু হয়ে রোববার প্রতিযোগিতা শেষ হয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নারী দলের মধ্যে -৪৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে আরমিন জাহান আভা ব্রোঞ্জ, -৪৯ কেজিতে সুমাইয়া আফরিন স্বর্ণ, -৫৩ কেজিতে লাবণ্য স্বর্ণ, -৫৭ কেজিতে ওয়ারদাতুল লুবা রৌপ্য, -৬২ কেজিতে তাসনুভা হোসেন স্বর্ণ, -৬৭ কেজিতে সাবাহ কানেতা তারিক স্বর্ণ, -৭৩ কেজিতে মরিয়ম স্বর্ণ এবং +৭৩ কেজিতে সাবিহা স্বর্ণপদক জেতেন।
পুরুষ দলের মধ্যে -৫৪ কেজি ওজন শ্রেণিতে শাহীন আলী স্বর্ণ, -৫৮ কেজিতে সামিউল ইসলাম রৌপ্য, -৬৩ কেজিতে অংক্যজাই মারমা রৌপ্য, -৬৮ কেজিতে রাইসুস সালেহীন আলিফ ব্রোঞ্জ, -৭৪ কেজিতে জারিফ আহমেদ অনন্য স্বর্ণ, -৮০ কেজিতে চৈতন্য রায় স্বর্ণ, -৮৭ কেজিতে কামরুজ্জামান স্বর্ণ এবং +৮৭ কেজিতে রিয়াদ মাহমুদ রৌপ্যপদক অর্জন করেন।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় গেমস সাব-কমিটির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক মো. আরিফুর রহমান।
অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আব্দুল আলিম বলেন, “বাংলাদেশে প্রথমবারের মত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পেরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গর্বিত। দীর্ঘদিন বিভিন্ন কারণে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বন্ধ ছিল। পুনরায় এ ধরনের আয়োজন শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আমরা আশা করি।”
এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)।