Published : 22 Sep 2025, 12:40 PM
উপ-উপাচার্য ও প্রক্টরকে ‘শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত’ করার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি অংশ মানববন্ধন পালন করছেন।
সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্যারিস রোডে’ এ মানববন্ধন শুরু হয়। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইউট্যাব রাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “সালাহউদ্দিন আম্মার এবং তার সহযোগীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার নীল নকশা নিয়ে মাঠে নেমেছে। এই আম্মার এমন এক বেয়াদব এবং সন্ত্রাসী যে, হাতে পিস্তল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি পোস্ট করে।
“শনিবার এই সন্ত্রাসীরা শিক্ষকদের যেভাবে লাঞ্চিত করেছে, আমরা যদি এর সুষ্ঠু বিচার না করতে পারি তাহলে ভবিষ্যতে আমাদেরও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমাদের দাবি হল, চিহ্নিত এই সন্ত্রাসীদের স্থায়ী বহিষ্কার এবং যাদের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে তাদের সনদ বাতিল করতে হবে। এছাড়া তাদের মধ্যে যারা রাকসু নির্বাচনে প্রার্থী আছে তাদের প্রার্থীতা বাতিল করতে হবে।”
জুলাই আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার রাকসু নির্বাচনে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলে থেকে জিএস পদে লড়ছেন।
তিনি রাবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক রোকসানা বেগম বলেন, “ছাত্রদের কর্তৃক আমাদের উপ-উপাচার্যসহ শিক্ষক কর্মকর্তাদের মারধর ও লাঞ্ছনার প্রতিবাদে আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়েছি৷
“রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে৷যদি বিচার করা না হয় তাহলে আরও ভয়াবহ কিছু ঘটবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরাও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করেছি, শুধু ছাত্ররাই করেনি। বাংলাদেশের সব জায়গায় যদি এই পোষ্য কোটার সুবিধা থাকে তাহলে আমাদের এখানেও থাকতে হবে।”
'পোষ্য কোটা': মধ্যরাতে হল থেকে বেরিয়ে রাবির ছাত্রীরাও আন্দোলনে