১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাঙ্গায় টর্চ জ্বালিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট

ফরিদপুর-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অন্ধকারের মধ্যে টর্চ জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চার গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

ফরিদপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Apr 2026, 12:15 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:18 PM

ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় একজনকে মারধরের জেরে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় চার গ্রামের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।  

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ফরিদপুর-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অন্ধকারের মধ্যে টর্চ জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চার গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বিভিন্ন বাড়িঘর এবং দোকানে। 

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। 

ফরিদপুর-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় চার গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

ফরিদপুর-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় চার গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

স্থানীয়রা জানান, দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্ৰামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় পাশের গ্রাম খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দার কয়েকজন তাকে মারধর করে। ওই ঘটনার জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে পিটিয়ে আহত করে খাপুরা গ্রামের প্রতিপক্ষ। 

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুনসুরাবাদ গ্রামের শতশত লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে খাপুরা গ্রামের লোকজনকে ধাওয়া দেয়।

পরে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগারিয়া তিন গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে মুনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে চার গ্রামের অন্তত ৩০ জন লোক আহত হন।

ভাঙ্গা থানার এসআই মামুন খান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করি। রাত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে উভয় পক্ষকেই পিছু হটাতে সক্ষম হয়েছি। 

“পরবর্তীতে কোন অনাকাঙ্ক্ষি ঘটনা এড়াতে সড়কের দুই পাশে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”