Published : 10 Jun 2026, 03:38 PM
ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হওয়ার সাড়ে তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার পর উদ্ধারকারী ট্রেন পাওয়ার কারের বগি উদ্ধার করলে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছেন ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার এসআই পলাশ ব্যানার্জি।
এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ময়মনসিংহ নগরীর তিনকোনা পুকুরপাড় এলাকায় আসতেই বিকট শব্দে ট্রেনের পাওয়ার কারের চাকা লাইনচ্যুত হয়।
পরে লোকোশেড থেকে উদ্ধারকার রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে আসার সময় সেটিও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। পরে রিলিফ ট্রেনের একটি বগি রেখে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাইনচ্যুত পাওয়ার কারটি উদ্ধার করে।
এতে দীর্ঘসময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
লাইনচ্যুত ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী শারমিন সুলতানা বলেন, “প্রায় তিনঘণ্টা অপেক্ষা করছি। বাচ্চা গরমে হাঁসফাস করছে, কিন্তু ট্রেনে ফ্যান নাই, ভাল একটা টয়লেট নাই। ”
“নিরাপদ যাত্রার জন্য ট্রেনে উঠে এখন উল্টো বিপদে পড়েছি। তাছাড়া, এই রুটে প্রায়ই ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল, ইঞ্জিনে আগুন লাগা, লাইনচ্যুত হওয়া নিয়মিত ঘটনা। আমি মনে করি জনস্বার্থে সরকারের ট্রেনের উপর নজর দেয়া উচিৎ “
আরেক যাত্রী শফিকুল ইসলাম বলেন, “এই রুটে ট্রেনে চলাচলে আরামের চাইতে ভোগান্তি বেশি। এই রুটে ট্রেন দুর্ঘটনা যেন নিত্যদিনের ঘটনা। ঢাকা-জামালপুর রুটে ডাবল রেললাইন হলে মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে।”
ময়মনসিংহ রেলওয়ের সিনিয়র সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান, ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কারের চার চাকা লাইনচ্যুত হয়েছিল। সেটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়ে যায়।
“কেন কয়েক দিন পরপর এমন ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে বের করা হবে”, বলেন তিনি।
আগের সংবাদ
ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস উদ্ধারে আসা ‘রিলিফ ট্রেন’ও লাইনচ্যুত