Published : 01 Jul 2025, 04:08 PM
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় এক নারীসহ চারজনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী; যারা সবাই ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি পুলিশের।
এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও ২২ ভরি সোনাসহ ডাকাতির বিভিন্ন সামগ্রী জব্দের দাবি করেছে কোস্ট গার্ড।
মঙ্গলবার দুপুরে হাতিয়া কোস্ট গার্ড কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন অর রশীদ।
সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানান তিনি।
আটকরা হলেন- সোহেল (২৩), সুমন উদ্দিন (৩৫), পারুল বেগম (৩২) এবং উজ্জ্বল বণিক (৪২)। আটকদের মধ্যে সোহেল, সুমন উদ্দিন এবং পারুল বেগম উপজেলার বুড়ির চরের বাসিন্দা। এ ছাড়া স্বর্ণ ব্যবসায়ী উজ্জ্বল ওছখালীর লক্ষীদিয়া এলাকার বাসিন্দা।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন অর রশীদ বলেন, গোপন খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড ও পুলিশ উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের দুর্গম এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে ওই এলাকা থেকে সোহেল, সুমন ও পারুলকে আটক করা হয়। তারা ‘শামীম বাহিনীর’ সক্রিয় সদস্য।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামা, দুই বোতল চেতনানাশক ওষুধ, দুই ভরি ১২ আনা স্বর্ণ এবং ১০ ভরি রূপার অলংকার জব্দ করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন সময় ডাকাতি করতে গিয়ে লুট করা আরও ২০ ভরি স্বর্ণালংকার সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজদী বাজারের প্রিয়া জুয়েলার্স থেকে জব্দ করা হয়। এ সময় স্বর্ণ ব্যবসায়ী উজ্জ্বলকে আটক করা হয়।
আটক বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা।