Published : 27 Nov 2025, 02:54 PM
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। কয়েক দিন ধরে জেলায় হিমেল বাতাস অনুভূত হচ্ছে।
জেলার সদর হাসাপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কাজ কমে যাওয়ায় বেশি বিপাকে পড়েছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ সময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ; আর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৭৮ কিলোমিটার।

ভোর থেকেই হিমেল হাওয়া বইতে থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে দেখা দিয়েছে ঝলমলে রোদ।
বুধবার একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সন্ধ্যা ৬টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পঞ্চগড় সদর উপজেলার মোলানীপাড়া গ্রামের ভ্যান চালক সফিকুল ইসলাম বলেন, “সকালে কুয়াশা আর ঠান্ডার কারণে ভ্যানের যাত্রী কম পাওয়া যাচ্ছে।
“ঠান্ডার জন্য অনেকে বাড়ি হতে বের হতে চায় না। শীত মৌসুমে আমার আয় অনেক কমে যায়।”

বোদা উপজেলার মন্নাপাড়া গ্রামের স্থানী বাসিন্দা বাবুল হোসেন বলেন, “সকালে খুব ঠান্ডা লাগে। শীতের কাপড় না পরলে থাকা যায় না।”
পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ আবু সায়েম বলেন, “দিনে গরম ও রাতে ঠান্ডার কারণে পঞ্চগড় সদর হাসাপাতালে শীত জনিত রোগী সংখ্যা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
“প্রতিদিন শিশু ও বয়স্করা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। কেউ কেউ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।”
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত আরও জেঁকে বসবে এবং শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।