নোয়াখালীতে সিপিবি নেতার মৎস্য খামারে ‘বিষপ্রয়োগ’
আবু তাহের তার ‘সমাজতান্ত্রিক বাড়িতে’ সমন্বিত খামার করে ১২টি চৌবাচ্চায় রুই, কাতল, তেলাপিয়া এবং একুরিয়ামের রঙিন মাছ চাষ করছেন।
নোয়াখালীতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের মাছের খামারে দুই দফা বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
সবশেষ বৃহস্পতিবার সকালে সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের ওই খামারে নিয়োজিত শ্রমিকরা বিষয়টি টের পান।
বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসেন।
সিপিবি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভূঁইয়া বলেন, তিনি গত চার বছর ধরে তার ‘সমাজতান্ত্রিক বাড়িতে’ মাছ, হাঁস-মুরগি, ছাগল, শাক-সবজিসহ সমন্বিত খামার করে আসছেন। এর মধ্যে ১২টি চৌবাচ্চায় রুই, কাতল, তেলাপিয়া এবং একুরিয়ামের রঙিন মাছ চাষ করছেন।
তিনি বলেন, “সকাল ৯টার দিকে একটি চৌবাচ্চায় খাবার দেওয়ার সময় বেশকিছু মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখা যায়। পরে একে একে ওই চৌবাচ্চার সব মাছ মরে ভেসে উঠে।
“সব চৌবাচ্চায় একই ধরনের পানির প্রবাহ ও খাবার দেওয়ার কারণে অক্সিজেন স্বল্পতা বা অন্য কারণে মাছগুলি মারা যাওয়ার সুযোগ নেই। ”
“এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে পাশের আরেকটি চৌবাচ্চায় একই ঘটনা ঘটেছিল। বিষয়টি আমি স্থানীয় লোকজনকে জানিয়ে তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ করি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে যায়।
দুটি ঘটনার সুস্থ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, “প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকায় তাদের মাধ্যমে এমন ঘটনা ঘটেনি বলে ধারণা করছি। ভিন্ন কোনো উদ্দেশে বাহিরের কেউ এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শঙ্কা করছি।”
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসন বলেন, সিপিবি নেতার মাছের খামারে বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে খামারের বেশ কিছু তেলাপিয়া ও রুই মাছ মরে গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
