তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া ভোটে যাবে না বাম ও ইসলামী দলও: ফখরুল

রোববার হবে বগুড়া থেকে রাজশাহী অভিমুখে আরেকটি মার্চ ।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 7 Feb 2024, 05:20 PM
Updated : 7 Feb 2024, 05:20 PM

তত্ত্বাধায়ক সরকার না থাকলে বিএনপি ও যুগপতের শরিকদের পাশাপাশি বামপন্থি ও ইসলামপন্থি দলগুলোও আগামী জাতীয় নির্বাচনে ‘অংশ নেবে না’ দাবি করেছেন বিরোধী দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার বিকালে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুব দল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে ‘তারুণ্যের রোড মার্চ’ শেষে দিনাজপুর বাস স্ট্যান্ডে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বেলা ১১টায় রংপুর থেকে রওয়ানা হয়ে নীলফামারী হয়ে ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দিনাজপুর যায় এই রোড মার্চ।

রোববার হবে বগুড়া থেকে রাজশাহী অভিমুখে আরেকটি মার্চ ।

গত ১২ জুলাই সরকার পতনের ‘এক দফা’ কর্মসূচি ঘোষণার পর এটিই রাজধানীর বাইরে প্রথম কেন্দ্রীয় কর্মসূচি।

মির্জা ফখরুল বলেন, “সমগ্র রাজনৈতিক দল আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। আমরা যারা যুগপৎ আন্দোলন করছি, শুধু তারাই নয়, আমাদের বাইরে যারা আছে বাম দল, ইসলামী আন্দোলন এবং অন্যান্য দলগুলো, তারা সবাই বলছে যে, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবো না। কারণ, তাদের অধীনে নির্বাচনে সুষ্ঠু হতে পারে না।”

এই সরকার ‘নির্বাচিত নয়, জোর করে ক্ষমতা দখল করে আছে’ অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, “আবার তারা ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মত একই কায়দায় একতরফা একটা নির্বাচন করে জনগণকে বোকা বানিয়ে ভোট না করে নিজেদের নির্বাচিত ঘোষণা করতে চায়।”

এবার মানুষ ‘ঘুরে দাঁড়িয়েছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “এবার আপনার (সরকার) ওই ‘জারিজুরি’ থাকবে না। আপনি যতই মানুষকে বোকা বানাতে চান, চেষ্টা করেন এবার মানুষ আর বোকা বনবে না। এবার মানুষ পরিষ্কার বলে দিয়েছে যে, একটাই মাত্র পথ, আপনি (প্রধানমন্ত্রী) পদত্যাগ করুন।”

বিএনপি নেতা বলেন, “সমগ্র পৃথিবী এখন বলছে বাংলাদেশে গণতন্ত্র নাই, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে, নির্বাচন দিতে হবে সকলের কাছে যেটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।”

হাসিনা সরকারকে ‘পাতানো নির্বাচন করতে’ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে, ‘নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য’ সাজা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল। বলেন, “অর্থাৎ তারা একাই থাকবে মাঠে, তারা ছাড়া আর কেউ থাকবে না।”

(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)