গণভোটের গণরায় অস্বীকারের মাশুল দিতে হবে, লং মার্চে শফিকুর
তিনি বলেন, সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে লং মার্চের সাত দফা শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপান্তরিত হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের গণরায় অস্বীকার করার মাশুল দিতে হবে। জনগণ রাজপথে নামলে দাবি আদায় করেই ছাড়বে।
শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের সমাপনী পথসভায় কুষ্টিয়া শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে তিনি সরকারের উদ্দেশে এ হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি বলেন, সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে লং মার্চের সাত দফা শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপান্তরিত হবে।
"সরকারকে আমরা সেইটুকু সময় দিতে চাই। আমরা সংসদে বসেই গণভোটের গণরায় ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্নসহ ৭ দফা দাবির সমাধান করতে চাই। কিন্তু তা না হলে আবারও দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে গণবিপ্লবের ডাক দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের ডাক দিতে আমাদের বাধ্য করবেন না।"
পথসভায় অন্যান্য নেতাদের বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মির মামুনুল হক, এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি, সাঈদ মোস্তাফিজ, মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, এলডিপির বিল্লাল হোসেন নিয়াজী, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চান।
পথসভায় আরও বক্তৃতা করেন কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৩ আসনের আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি আফজাল হোসেন, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী এনামুল হক, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ।
