প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে কী পেয়েছেন, এত নতজানু কেন! রিজভীর প্রশ্ন

রিজভী বলেন, “সব দিয়ে দিলাম কিন্তু যেটা ন্যায্য পাওয়ার সেই তিস্তার পানি পেলাম না, সেই গঙ্গার পানি পাওয়া গেল না।”

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 30 March 2024, 09:21 AM
Updated : 30 March 2024, 09:21 AM

যাবতীয় ‘আবদার পূরণের পরও’ সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিএসএফ গুলি করে হত্যা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, “পার্শ্ববর্তী দেশের কোনো আবদার মাটিতে পড়ে না, প্রত্যেকটি আবদারই পূরণ করতে হয় শেখ হাসিনাকে। সীমান্ত চুক্তির প্রটোকল করেছেন কিন্তু প্রতিদিন আমাদের লোক মারা যায়। শেখ হাসিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবাদ দূরে থাক একটু মাথা উঁচু করে কথাও বলতে পারেন না। কি পেয়েছেন আপনি প্রধানমন্ত্রী তাদের কাছ থেকে? এত নতজানু কেন?

“সীমান্ত চুক্তি করার পরও বাংলাদেশিদের হত্যা করা হচ্ছে পাখির মতো। প্রতিদিন মৃত্যুর খবর, প্রতিদিন বাংলাদেশিদের নিহত হওয়ার খবর বিএসএফ দ্বারা। সব দিয়ে দিলাম কিন্তু যেটা ন্যায্য পাওনা, সেই তিস্তার পানি পেলেন না, সেই গঙ্গার পানি পাওয়া গেল না।”

সরকার প্রধানের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, “কি পেয়েছেন শেখ হাসিনা? একটা জোট সেখানে ইন্ডিয়া বাংলাদেশের জন্য কোনোভাবেই কোনো কথাই বলেনি… বাংলাদেশ বাদ পড়ে গেছে ব্রিকস থেকে। ভারত যদি চাইত বাংলাদেশ এই জোটের সদস্য হতে পারত, হতে পারেনি। এতো প্রেম, এতো মহব্বত কিন্তু ওইদিক থেকে পান না তারা (সরকার)।”

রিজভী মনে করেন ‘কেবল অপমান আর লাঞ্ছনা ছাড়া’ শেখ হাসিনা ভারতের কাছ থেকে কিছুই পাননি। 

বিএনপির নেতাদের ওপর সরকারের ‘দমনপীড়নের’ নিন্দা জানান রিজভী।

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কারাবন্দি যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নিরবের মুক্তির দাবিতে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন হয়।

যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরুর সভাপতিত্বে ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক এবিএম শামসুল হক, যুবদলের সাবেক নেতা খালেক হাওলাদার, এসএম জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।