ভোটে যাবে খেলাফত আন্দোলন
দলটির প্রচার সম্পাদক বলেন, “নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কত আসন কীভাবে বণ্টন করা হবে, তা এখন বলা যাচ্ছে না।”
গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনার সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতাদের সাক্ষাতের পর নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের আশরাফাবাদ জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায় শনিবার শূরা সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
দলটির প্রচার সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কত আসন কীভাবে বণ্টন করা হবে, তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।”
খেলাফত আন্দোলনের আমীর আতাউল্লাহ হাফেজ্জীসহ দলের ২০১ জন শূরা সদস্যের অধিকাংশই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নয়টি ইসলামী দলের ১৪ জন নেতা। সেখানে খেলাফত আন্দোলনের আমীর আতাউল্লাহ হাফেজ্জী ও মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজীও ছিলেন।
গণভবনের ওই বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমকে পাঠনো বার্তায় বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন।
তফসিল অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত, বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। তার তিন সপ্তাহ পর ৭ জানুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।
খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন বলেন, “নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর মনোনয়নপত্র দেওয়া শুরু করেছি। আমরা মনোনয়নপত্র থেকে কোনো টাকা-পয়সা নিই না।”
কত আসনে প্রার্থী দেবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ সংখ্যক আসনে প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করব।”
খেলাফত আন্দোলনের নেতা আতাউল্লাহর বাবা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। ইসলামি শরিয়া মতাদর্শের আতাউল্লা ও তার দল ‘আওয়ামী লীগবিরোধী’ রাজনীতি করে আসছে।
আরও পড়ুন-
