১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় খালাস তারেক রহমান

রাষ্ট্রপক্ষের পুনরায় তদন্ত আবেদনের ওপর আদেশ দেওয়ার দিন নির্ধারণ ছিল রোববার।

আদালত প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Sep 2024, 09:46 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:31 AM

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জাতির পিতা’ ঘোষণা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় খালাস পেয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার তাকে এ মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদেশ দেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূরে আলম।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার জুয়েল মিয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য দিয়েছেন।

এদিন রাষ্ট্রপক্ষের পুনরায় তদন্ত আবেদনের ওপর আদেশ দেওয়ার দিন নির্ধারণ ছিল। গত ২৯ জুলাই রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পুনরায় তদন্তের আবেদন করেছিল। সেদিন শুনানি শেষে ২২ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আদেশের জন্য দিন রাখেন বিচারক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

সেখানে বলা হয়, “বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লন্ডনে আয়োজিত এক কর্মীসভায় দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্যের একপর্যায়ে বলেন, “আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জাতির পিতা। আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু বাঙালি জাতি না, বাঙালিসহ ৫৫ হাজার ১২৬ বর্গমাইলের মধ্যে যতগুলো জাতি বাস করে-যারা বাংলাদেশি জাতির পরিচয় বহন করে, যারা নিজেদের বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দেয়, সেই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জাতির পিতা, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জাতির পিতা।

”আমরা কি আজ সবাই মিলে এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারি? তাহলে আজকে থেকে সিদ্ধান্ত হল-শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জাতির পিতা’।”

মামলায় বলা হয়, “কর্মীসভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশে চলমান স্থিতিশীল পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এমন মনগড়া মিথ্যা তথ্য সম্বলিত উদ্ভট যুক্তি দেন। তিনি জাতির পিতাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করেছেন।”

পরে গত ২ ডিসেম্বর এ মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের (সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম) উপ-পরিদর্শক হাসানুজ্জামান। তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করা হয় সেখানে।

সম্পূরক অভিযোগপত্রে বলা হয়, তারেক রহমান ওই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২১/২৫/২৯/৩১ ধারার অপরাধ করেছেন, ডিবির তদন্তে তা ‘প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত’ হয়েছে।

হবিগঞ্জে মানহানি মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান