জিয়া পরিবার থেকে নতুন নেতা? সামাজিক বোঝাপড়ায় দীক্ষা শুরু
“শিক্ষিত, মার্জিত ব্যক্তি হিসেবে তরুণদের বিএনপির দিকে আনতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে প্রচারে জাইমার উপস্থিতি।”
গুঞ্জন ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই; জিয়া পরিবারের উত্তরাধিকার হিসেবে একজন নতুন নেতার উপনয়ন পর্ব শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে।
বেড়ে ওঠার বয়সে বিদেশে থাকা জাইমা রহমান দেড় যুগ পর বাবা তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফিরে শুরুতেই সমাজের সঙ্গে বোঝাপড়া ঠিক করতে চাইছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে নিয়মিত যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠান আর চায়ের আড্ডায়।
জাইমার ভাষায়, “চাই শুনতে, বুঝতে এবং শিখতে, আপনাদের সান্নিধ্য থেকে।”
অবশ্য দেশে ফেরার মাস খানেক আগেই প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীদের এক ভার্চুয়াল সভায় কথা বলেন জাইমা, যেটিকে বলা হচ্ছে দলীয় ফোরামে তার ‘প্রথম বক্তৃতা’।
দীর্ঘদিন জনদৃষ্টির আড়ালে থাকা জাইমা গেল বছরের শুরুতে আলোচনায় আসেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে বাবা তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্ব করে। দেশের মাটিতে পা রেখেই তিনি হারান দাদিকে; খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে জাইমার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিভিন্ন দেশের নেতা ও কূটনীতিকরা জানাজার আগে জাতীয় সংসদ ভবনের একটি কক্ষে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে ছিলেন দলের নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং জাইমা রহমান।
তারেককন্যা গেল ২ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন; সেদিন দাদির মত মাথায় ওড়না জড়ানো তার ছবিও আলোচনায় আসে।
বিএনপির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সামনে দেখা না গেলেও জাইমা রহমান ইতোমধ্যে নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন। গুলশানে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে যাতায়াত শুরু করেছেন।
তবে জিয়া-খালেদার নাতনি কবে প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসবেন, তা এখনো স্পষ্ট হয়নি।
বিএনপির চেয়ারম্যানের পরিবারের ঘনিষ্ঠরা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, আগামী নির্বাচনে নারী ও তরুণদের ভোটে আকৃষ্ট করতে ‘স্ট্র্যাটেজিক’ ভূমিকা পালন করছেন জাইমা রহমান।
এর মধ্যে গত ৩১ জানুয়ারি ঢাকার গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে রিলস প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে অংশ নেন জাইমা। সেখানে তিনি ফেইসবুকসহ ডিজিটাল প্লাটফর্মগুলোর স্থানীয় কার্যালয় খোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলাপ করেন।
জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তিনি তো ইতোমধ্যে নির্বাচনি প্রচার কাজে যুক্ত হয়েছেন। আমাদের দেশে নারীদের সমস্যা সমাধানে আরও কীভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, কীভাবে তরুণরা আগামী দিনের রাষ্ট্র গঠনে যুক্ত হবেন, এ নিয়ে তার (জাইমা) কার্যক্রম চলছে।”
জাইমার ভাবনায় কী?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে জাইমা রহমানের বায়োতে বলা হয়েছে, ‘ব্যারিস্টার অ্যাট ল’, ‘কমিউনিকেশন্স স্ট্র্যাটেজিস্ট’, ‘অ্যাডভোকেটিং ফর ইনক্লুসিভ ডায়লগ’।
দেশে ফেরার পর গত ১৮ জানুয়ারি জাইমা রহমান প্রথমবারের মত জনপরিসরে বক্তব্য দেন। ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে জাইমা রহমান বলেন, নারী ক্ষমতায়িত হলে জাতির ভবিষ্যৎ বদলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তার ভাষায়, “যখন নারীদের দূরে না ঠেলে স্বাগত জানানো হয়, তখন তারা কেবল নিজেদের জীবনই বদলায় না; তারা তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ এবং জাতির ভবিষ্যৎও বদলে দেয়।
“বাংলাদেশ যদি সত্যিকারের টেকসই উন্নয়ন চায়; তাহলে ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গ কেবল শিক্ষা, অফিস বা নীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; আমাদের ঘর, প্রতিষ্ঠান এবং মানসিকতাতেও পৌঁছাতে হবে। আর এর দায়িত্ব আমাদের সবার।”
সম্প্রতি দৃক গ্যালারিতে আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন জাইমা। তিনি তরুণ শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে আলাপচারিতায় অংশ নেন এবং কাজ সম্পর্কে তাদের মতামত শোনেন আগ্রহের সঙ্গে।
দৃক গ্যালারির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক ও লেখক রেহনুমা আহমেদ এবং আলোকচিত্রী ও দৃকের প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করা ‘সুরভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ১ ফেব্রুয়ারি যোগ দেন জাইমা রহমান। তার নানি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু প্রতিষ্ঠিত এনজিওটি সমাজের অবহেলিত শিশুদের নিয়ে কাজ করে।
ধানমন্ডিতে ‘সুরভি’র শিশুদের সঙ্গে কাটানো সময়ের ছবি পোস্ট করে জাইমা লিখেছেন, “দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা ও মেধা বিকশিত করতে কাজ করছে ‘সুরভি’, যাতে তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
“…ওই হাসিমুখগুলোর কাছে দেওয়া আমার প্রতিশ্রুতিটা রাখতে হবে। ‘সুরভি’র সঙ্গে খেলাধুলায় অংশ নিতে, ভাষা চর্চা করতে ও শিল্প-সংগীতের ক্লাসে আবারও যোগ দিতে আমি শীঘ্রই ফিরে আসতে চাই।”
গত ২ ফেব্রুয়ারি মহাখালীর ডিওএইচএস খেলার মাঠে তরুণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে তাদের দেশ গড়ার ভাবনা ও পরিকল্পনা শোনেন তারেককন্যা জাইমা। ‘চায়ের আড্ডা’ নামের এ অনুষ্ঠানে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গড়তে সবার অংশগ্রহণ, জুলাই যোদ্ধা, শিক্ষার্থীদের জন্য পার্টটাইম কাজের সুযোগ, যানজট, সাইবার বুলিং, গ্যাস ও পানি সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কন্টেন্ট জেনারেশন টিমের এ অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে জাইমা বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, যেমনটি আমরা বললাম ‘ডাইভার্স’ বাংলাদেশ, ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’, সবার জন্য খাদ্য, ‘ইনক্লুসিভ’ বাংলাদেশ…। এখন যদি উদ্দেশ্য এক হয়, বিভিন্ন জায়গা থেকে যদি মানুষ কাজ করতে চায়, নিশ্চয় আমরা তাদের সুযোগ দেব।”
দেশ গড়ার পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধী মানুষের অংশগ্রহণ চেয়েছেন জাইমা রহমান। ৩ ফেব্রুয়ারি গুলশান সোসাইটি লেক পার্কে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর এ ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
জাইমা রহমান ফেইসবুকে লিখেছেন, “কষ্টগুলো হয়ত কেবল তারাই বোঝে, যারা এর ভেতর দিয়ে যায়, আমরা হয়ত শুধু চেষ্টা করতে পারি উপলব্ধি করার। তবে এগিয়েও আসতে পারি, তাদেরই কথা শুনে, বুঝে ও অনুধাবন করে একটু যদি সহজ করা যায় তাদের পথচলা?
“গতকালকের কথোপকথন ছিল অনেকটাই অন্যরকম। যাদের দৃষ্টি শক্তি নেই–তাদের কাছে এই পৃথিবীটা কেমন? কিংবা যিনি বাকশক্তি হারিয়েছেন, তার কথাগুলো বোঝার প্রচেষ্টা, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কী পরিমাণ বাধাগ্রস্ত করে তা বর্ণনাতীত–সব মিলিয়ে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা হয়েছে।”
জাইমা রহমানের সঙ্গে একাধিক আয়োজনে অংশ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শি ইজ ভেরি ব্রাইট, খুবই শার্প। ভেরি ইন্টেলিজেন্ট। তিনি কাজ করছেন। ইতোমধ্যে প্রচারের কাজে যুক্ত হয়েছেন।”
ঢাকা-লন্ডন-ঢাকা
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের একমাত্র সন্তান জাইমা রহমান। ২০০১ সালে নির্বাচনের সময় ছয় বছরের শিশু জাইমা তার দাদি খালেদা জিয়ার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে গিয়েছিলেন, সেই দৃশ্য তখন আলোচনার খোরাক জুগিয়েছিল। ছোটবেলায় ফুটবল টুর্নামেন্টে জয়ী হয়ে জাইমা সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন।
দেশে ফেরার আগে গত ২৩ ডিসেম্বর শৈশবের সেই স্মৃতিচারণ করে জাইমা ফেইসবুকে লেখেন, “আমার বয়স তখন এগারো। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর (খালেদা জিয়া) অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি; তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি।
“আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী-কী করেছি, সেটা বলছিলাম; আর স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ নিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে, পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।”
সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। এক বছর পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্তি পান তারেক।
সেই রাতেই স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ‘উন্নত চিকিৎসার জন্য’ লন্ডনে চলে যান তিনি। এরপর আওয়ামী লীগ আমলে তারা আর দেশে ফিরতে পারেননি।
লন্ডনে অবস্থানকালে জাইমা মাধ্যমিক ও উচ্চতর শিক্ষা নেন। লন্ডনের লিংকন্স ইন থেকে সম্পন্ন করেন বার-অ্যাট-ল। এর আগে কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক শেষ করেন।
গত ২৫ ডিসেম্বর বাবা তারেক রহমান ও মা জুবাইদা রহমানের সঙ্গে দেশে ফেরেন জাইমা রহমান। তারপর ৩০ ডিসেম্বর তার দাদি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়।
বাবার জুতো পায়ে
দলের নির্বাচনি কার্যক্রমে জাইমা রহমানের অংশগ্রহণকে ‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি’ হিসেবে দেখছেন দলের অনেকে। তারেক রহমান ১৯৯১ সালে তার মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারে সফর করেছিলেন।
তারেক রহমান ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যা এবং সুশাসনের ওপর গবেষণা করার জন্য ঢাকায় একটি অফিস খুলেছিলেন। সেই অফিসটি পরে ‘হাওয়া ভবন’ নামে পরিচিতি পায়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “২০০১ সালে নির্বাচন পরিচালনা কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তিনি (তারেক রহমান) রেখেছেন, পরে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন করে রাজনীতিতে নতুনত্ব এনেছিলেন।”
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “২০০১ সালে নির্বাচন পরিচালনা কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তিনি (তারেক রহমান) রেখেছেন, পরে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলন করে রাজনীতিতে নতুনত্ব এনেছিলেন।”
এ প্রসঙ্গে বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেল বলেন, “স্বভাবেই জাইমা রহমান দেশের অন্যতম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে রাজনীতিতেই যুক্ত থাকবেন। তার বাবা সার্বক্ষণিক রাজনীতিক। জাইমা রহমান তাকে সহযোগিতা করছেন।”
তবে জাইমা রহমান সরাসরি নির্বাচনি প্রচারে নামবেন কি না–সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন আলমগীর পাভেল।
রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট মারুফ মল্লিক মনে করেন, জাইমা রহমান নির্বাচনি প্রচারে যুক্ত হলে তা দলের জন্য মঙ্গলজনকই হবে।
“জেনজির মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলতে—শিক্ষিত, মার্জিত ব্যক্তি হিসেবে তরুণদের বিএনপির দিকে আনতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে প্রচারে জাইমার উপস্থিতি।”
দলীয় সদস্যপদ নিয়ে কবে থেকে সরাসরি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জাইমার পথচলা শুরু হবে?
গত নভেম্বরে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেছিলেন, “সময়-পরিস্থিতেই বলে দেবে সেটা।”
