Published : 23 Dec 2025, 02:43 PM
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ‘চর দখলের মত’ পরিস্থিতির শঙ্কা নিয়েই ১১৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করছে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর জাতীয় পার্টি-জেপি এবং আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির একাংশের নেতৃত্বে গড়া ২০ দলের জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট-এনডিএফ।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার বনানীর হোটেল শেরাটনে এনডিএফের এক সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব নেওয়ার পরে তিনি সেই উদাহরণ রাখতে পারতেন, আমার দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল একজন নোবেল বিজয়ী মানুষ তিনি আমাদেরকেও জয় করবেন এবং তিনি রাজনীতিতে কখনো এভাবে ছিলেন না, (আশা ছিল তিনি) সকল মানুষের মাঝে থাকবেন।
"কিন্তু এই গত কয়েক মাস ধরে যা দেখছি, তিনি পিছনের শক্তি প্রয়োগ করে কিছু কিছু লোককে কিছু কিছু দলকে যেভাবে সাহায্য করছেন, তাতে তো লেভেল ফিলিং ফিল্ড এখনো হল না।”
তিনি বলেন, “আমরা আশা করছিলাম যে তিনি একটা ভালো নির্বাচন দেবেন। দিতে পারবেন। এরপরে তিনি যখন চলে যাবেন, আমরা সবাই তাকে শ্রদ্ধার সাথে মনে রাখব। আমি এই ব্যাপারে এখন সন্ধিহন, যে তিনি পারবেন কিনা।
“এ ব্যাপারে এখনো বলা কঠিন। একটা কঠিন পরীক্ষা আছে। তারেক রহমান আসছেন, কী পরিবেশ হবে, এটা কি চর দখলের মত নির্বাচন হবে? না নিরপক্ষ হবে? দেশে বিদেশে সমাদৃত হবে? এমন একটি নির্বাচন হবে কিনা সেই সংশয় দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে এখন আছে।”
রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, "দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মানুষের প্রশ্ন, দেশে কি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে? প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের কানে যায় না। আমরা বড় আশা নিয়ে এখানে এই আয়োজন করেছি, আমরা নির্বাচনে যাব। আমরা নির্বাচনমুখী সব নেতৃবৃন্দ। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) দয়া করে একটি পরিবেশ সৃষ্টি করবেন, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হয় এবং গ্রহণযোগ্য হয়। সকল দলের অংশগ্রহণে ভালো নির্বাচন দেবে সরকার সেই প্রত্যাশা আমাদের।"
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে এনডিএফের সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন বলেন, "দেশের যে অবস্থা, সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা কীভাবে নির্বাচন করব? রাজনীতিতে আমরা জাতীয়তাবাদীদের পুনর্জাগরণ চাই। নিরাপত্তার সাথে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আগামী সংসদে যেতে চাই। আমরা কেউ হাদি হতে চাই না।”
জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, "জনমনে কষ্ট, ঢাকার বুকে এক ঘণ্টায় দুটি পত্রিকা অফিস ভাঙচুর, আগুন দিয়ে লন্ডভন্ড করলো, তছনছ করল। অথচ দীর্ঘ সময়ে কোনো পুলিশ এল না।
“আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরা, যখন তাদের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠল, বাঁচার জন্য আকুতি করছেন, চিৎকার করতেছেন, প্রত্যেকের কাছে তারা সাহায্য চাইতেছেন। কারণ সাংবাদিকরা সবার টেলিফোন নম্বর জানেন। প্রধান উপদেষ্টা থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা উপদেষ্টার সাথে কথা বলতে ফোন করেছেন।”
কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, "সাংবাদিকদের প্রাণে আমরা রক্ষা করতে পেরেছি, কিন্তু ভবন দুইটা রক্ষা করা যায়নি। এ যাবৎকাল বহু সরকার আসছে পাকিস্তান থেকে এই পর্যন্ত, ১৯৪৭ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত, এত বড় আঘাত সংবাদপত্রের উপরে, সাংবাদিকদের উপর আসে নাই। আমরা নিন্দা করতেছি। এই পরিস্থিতিতে ভালো নির্বাচন হবে? দেখা যাক, আমরা দেখি কী হয়।”
জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, "আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এবারের নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সুন্দর নির্বাচন হবে। কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব? নির্বাচনের আগে দাগি আসামিদের ধরার জন্য অভিযান চালায়। কিন্তু আমরা দেখছি, একটি নির্দিষ্ট দলের গ্রামের নিরীহ কর্মীদের ধরা হচ্ছে। রাষ্টের শীর্ষ পর্যায়ের লোকজন বলছে মামলাও লাগবে না, পাইলেই ধরে ফেলতে হবে।
"তাছাড়া আমরা যারা আগে নির্বাচন করেছি, তখন আমাদের লাইসেন্স করা অস্ত্র নিয়ে যাওয়া হত, এখন দেখছি লাইসেন্সসহ গানম্যানও দিচ্ছে। এছাড়া যে ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, দেশে কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে? আমরা আরও কয়েক দিন দেখব।"
জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট-এনডিএফের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ জোটের নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
এনডিএফ নেতা ও জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ৩০০ আসনের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১১৯টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
জোটের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীরা হলেন
চট্টগ্রাম-৫: জাতীয় পার্টি ও এনডিএফ চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ
পিরোজপুর-২: জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু
পটুয়াখালী-১: জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও জোটের প্রধান মুখপাত্র এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার
ঢাকা-১০: জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ
কিশোরগঞ্জ-৩: মুজিবুল হক চুন্নু
মাদারীপুর-৩: জেপির মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ-২: জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন
ফরিদপুর-২: সাবেক এমপি শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর
বরিশাল-৬: নাসরিন জাহান রতনা
ঢাকা-১৩: শফিকুল ইসলাম সেন্টু
নারায়নগঞ্জ-৩: লিয়াকত হোসেন খোকা
টাঙ্গাইল-৭: জহিরুল ইসলাম জহির
জামালপুর-২: মোস্তফা আল মাহমুদ
সাতক্ষীরা-১: সৈয়দ দিদার বখত
ময়মনসিংহ-৮: ফকরুল ইমাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: জিয়াউল হক মৃধা
নোয়াখালী-১: জাতীয় ইসলামী জোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের অহেদ ফারুক
ঢাকা-১৭: প্রয়াত জহির রায়হানের ছেলে তপু রায়হান এবং তৃণমূল বিএনপির অবসরপ্রাপ্ত মেজর শেখ হাবিবুর রহমান
শেরপুর-১: বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের চেয়ারম্যান আবু লায়েস মুন্না
জাতীয় পার্টির অন্য প্রার্থীরা হলেন
কুমিল্লা-৮: নুরুল ইসলাম মিলন
বগুড়া-৬: সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম ওমর
সিলেট-২: সাবেক এমপি ইয়াহ ইয়া চৌধুরী
নীলফামারী-৩: সাবেক এমপি অবসরপ্রাপ্ত মেজর রানা মোহাম্মদ সোহেল
কুড়িগ্রাম-২: সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহম্মেদ
ফেনী-১: সাবেক এমপি নাজমা আক্তার
চট্টগ্রাম-১২: সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম চৌধরী
চট্টগ্রাম-৭: সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম
টাঙ্গাইল-৫: সাবেক এমপি আব্দুস সালাম চাকলাদার
জামালপুর-৪: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মামুন অর রশীদ
চট্টগ্রাম-৯: সাবেক এমপি সোলায়মান আলম শেঠ
ঢাকা-১৭: তপু রায়হান
নেত্রকোণা-৩: জসিম উদ্দিন ভুইয়া
পাবনা-১: সরদার শাহজাহান
নোয়াখালী-৪: মোবাবর হোসেন আজাদ
বরিশাল-৩: ফকরুল আহসান শাহজাদা
লক্ষীপুর-১: বেলাল হোসেন
ঢাকা-১৬: আমানত হোসেন আমানত
ঢাকা-১৪: জাহাঙ্গীর আলম পাঠান
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: শাহ জামাল রানা
সাতক্ষীরা-২: মাতলুব হোসেন লিয়ন
শেরপুর-১: ইলিয়াস উদ্দিন
পঞ্চগড়-১: আবু সালেক
বরিশাল-১: সেরনিয়াবাদ সেকান্দার আলী
ঠাকুরগাঁও-১: রেজাউর রাজী স্বপন চৌধুরী
নীলফামারী-৪: রাশেদুল ইসলাম
লালমনিরহাট-২: নিগার সুলতানা রানী
রংপুর-৪: আব্দুস সালাম
গাইবান্ধা-১: শফিকুল ইসলাম বাদশাহ মিয়া
জয়পুরহাট-১: আওলাদ হোসেন
রাজশাহী-১: বরুন সরকার
রাজশাহী-৩: কামরুজ্জামান
রাজশাহী-৫: আসাদুজ্জামান
রাজশাহী-৬: ইকবাল হোসেন
সিরাজগঞ্জ-৩: আব্দুর রাজ্জাক
সিরাজগঞ্জ-৪: এস এম হাসেম রাজু
পাবনা-৬: তরিকুল ইসলাম স্বাধীন
কুষ্টিয়া-৪: সাজ্জাদ হোসেন সেনা
যশোর-৩: শফিকুল ইসলাম
যশোর-৬: আব্দুল লতিফ রানা
মাগুরা-১: সুমন ঘোষ
মাগুরা-২: আলমগীর সিকদার
বাগেরহাট-১: এস এম আল যোবায়ের
বরগুনা-১: মাইনুল হাসান রাসেল
পটুয়াখালী-২: মহসিন হাওলাদার
পটুয়াখালী-৪: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার
বরিশাল-৪: গাজী সোহেব কবির
ঝালকাাঠি-২: এম এ কুদ্দুস খান
ঝালকাঠি-১: সেলিমা খান
পিরোজপুর-৩: সেকান্দার আলী মুকুল বাদশা
টাঙ্গাইল-৩: আব্দুল হালিম
টাঙ্গাইল-৮: রেজাউল করীম
ঢাকা-৯: ইদি আমিন এপোলো
ঢাকা-১১: এস এম আমিনুল হক সেলিম
ঢাকা-১২: হাজী নাসির উদ্দিন সরকার
শরীয়তপুর-১: মাসুদুর রহমান মাসুদ
শরীয়তপুর-২: ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ
শরীয়তপুর-৩: ম ম ওয়াসিম
জামালপুর-৪: মোখলেসুর রহমান বস্তু
শেরপুর-১: ইলিয়াস উদ্দিন
ময়মনসিংহ-৪: জাহাঙ্গির আহমেদ
কুমিল্লা-৩: আলমগীর হোসেন
কুমিল্লা-১১: এইচ এম এন শফিকুর রহমান
ফেনী-২: জাফর আহমেদ রাজু
নোয়াখালী-৩: ফজলে এলাহি সোহাগ মিয়া
কক্সবাজার-১: শামসুল আলম
কক্সবাজার-৩: মো. তারেক
নোয়াখালী-৫: সাইফুল ইসলাম স্বপন
নোয়াখালী-৬: নাসির উদ্দিন বায়জিদ
লক্ষীপুর-২: শেখ মোহা. ফায়িজ উল্লাহ স্বপন
চট্টগ্রাম-২: জহিরুল ইসলাম রেজা
চট্টগ্রাম-৩: এম এ সালাম
চট্টগ্রাম-৭: নজরুল ইসলাম
কক্সবাজার-৪: এম এ মঞ্জুর মাস্টার
ঢাকা-১৮: শেখ মোহাম্মদ আলী
মঞ্জু ও শহিদুল ছাড়া জেপির অন্য প্রার্থীরা হলেন
কুড়িগ্রাম-৪: সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, রুহুল আমিন
ঝালকাঠী-২: মাহিন হোসেন
ঝালকাঠী-১: এনামুল ইসলাম রুবেল
ঠাকুরগাঁও-৩: জনতা পার্টি বাংলাদেশের আসাদুজ্জামান
কুমিল্লা-৫: শওকত মাহমুদ
শেরপুর-১: আবদুল্লাহ
নারায়ণগঞ্জ-৪: জাতীয় ইসলামী মহাজোটের গোলাম মোর্শেদ রনি
ঝিনাইদহ-২: তৃণমূল বিএনপির কে এম জাহাঙ্গীর
চট্টগ্রাম-৯: দীপক কুমার পালিত
বরিশাল-৬: টি এম জহিরুল হক তুহিন
খুলনা-৪: ইঞ্জিঃ শেখ শাহীন রহমান
ঢাকা-১৮: লায়ন আফরোজা বেগম
মেহেরপুর-২: বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাহ জামিল আমিরুল
খুলনা-১: বাংলাদেশ স্বাধীন পার্টির মির্জা আজম
কুমিল্লা-৫: হুমায়ুন কবির
চাঁদপুর-৩: মুনির হোসেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: শরীফ শাকি
টাঙ্গাইল-২: অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেটিক পার্টির এম আর করিম
নওগাঁ-৫: সেলিম রেজা
নড়াইল-১: ডেমোক্রেটিক পার্টির এস এম আশিক বিল্লাহ
ঢাকা-১৫: এস এম খায়রুজ্জামান
গাইবান্ধা-৪: জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের আতাউর রহমান বিল্লাহ
ঢাকা-১০: নাগরিক পার্টির লস্কর হারুন অর রশীদ
ঝালকাঠি-২: গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এ আর এম জাফর উল্লাহ চৌধুরী
ফেনী-৩: লিবারেল গ্রিন পার্টির খোকন চন্দ্র মজুমদার
নওগাঁ-৬: জাতীয় জোটের সরদার মোহাম্মদ আব্দুস সত্তার
হবিগঞ্জ-৪: সিরাজুল ইসলাম
টাঙ্গাইল-৮: মোস্তফা কামাল বাদল
বরগুনা-১: বাংলাদেশ জাতীয় দলের জামাল হোসাইন
চট্টগ্রাম-১০: বিলকিস সুলতানা
ঝিনাইদহ-২: জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির মিজানুর রহমান মিজু
চট্টগ্রাম-১৩: জয় প্রকাশ নারায়ন রক্ষিত
মানিকগঞ্জ-৩: জাসদের (শাহজাহান সিরাজ) মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস
বরিশাল-৪: বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের আব্দুল জলিল
শরীয়তপুর-১: সার্বজনীন দলের নূর মো. মনির
গত ৮ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে ২০ দলের সমন্বয়ে এনডিএফ জোটের ঘোষণা দেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
জোটভুক্ত দলগুলো হলো— জাতীয় পার্টি (আনিসুল), জাতীয় পার্টি-জেপি, জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবারপার্টি, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।