Published : 15 Jul 2026, 09:32 PM
আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে ৪০টি বিমান নিয়ে ঢাকায় নামার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, যা নিয়ে ফেইসবুকে ‘ট্রল’ করছেন অনেকে।
ফেইসবুকে একজন জানতে চেয়েছেন, “এতগুলো বিমান ল্যান্ড করবে কোথায়?” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “বাসের কথা বলতে গিয়ে আবেগে বিমানের কথা বলে ফেলছে।”
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে ভারতে নির্বাসনে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বছর ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা বলেছেন।
শেখ হাসিনা বলেছেন, শুধু তিনি একাই নন, নির্বাসিত জ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতারাও তার সঙ্গে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করবেন।
তার সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ৪০টি বিমান নিয়ে দেশে ফেরার ওই মন্তব্য করেন, যিনি ২০২৪ এর ৫ অগাস্টের পর থেকে লন্ডনে অবস্থান করছেন।
আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর ওই বক্তব্যের একটি ভিডিওি অনেকে সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।
সেখানে তিনি বলেন, "উনি (শেখ হাসিনা) যাবেন, উনি মোকাবেলা করবেন। উনি বলেছেন, উনি যাবেন। আমাদের সমস্ত নেতাকর্মী এখানে যারা আছেন, এই ইংল্যান্ড থেকে ১০টি বিমান চার্টার্ড হয়ে যাবে নেতাকর্মীরা। এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে, তারা বসে থাকলে চলবে না। ইনশাআল্লাহ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাথে হয়ত ৪০টির উপরে বিমান গিয়ে একসাথে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামবে।
“আর এই সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রবাসীরা আবারো জেগে উঠবে এবং প্রবাসীরা এই সরকারের কোনো মন্ত্রী, এমপি এবং তাদের দোসর এবং এনসিপির কাউকে প্রবাসে আসতে দেওয়া হবে না।”
সিলেটের এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “যদি তারা বেশি বাড়াবাড়ি করে, আমরা বিশ্বাস করি আগামী দিনে এই দেশ মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের মধ্যে... উনি বলেছেন উনি দেশে যাবেন। উনি যেটা বলেন সেটা করেন। উনি জাতির পিতার কন্যা, উনি শেখ হাসিনা। মাইন্ড ইট!"
ওই ভিডিও শেয়ার করে একজন লিখেছেন, “৪০টি বিমান ভাড়া করে শেখ হাসিনার সাথে দেশে যাবেন প্রবাসীরা- এত বিমান একসাথে গিয়ে থামবে কই! সায়েদাবাদ আর গাবতলী বাস স্ট্যান্ড তখন খালি করতে হবে মনে হচ্ছে!”
আরেকজন লিখেছেন, “এতোগুলা বিমান ল্যান্ড করার জন্য আলাদা বিমানবন্দর তৈরি করতে হবে।”
একজন ফেইসবুক ব্যবহারকারী প্রশ্ন করেছেন, “বিমান কি বরিশালের লঞ্চ?”
আওয়ামী লীগের সরকারপতনের পর আনোয়ারুজ্জামানের দেশ ছাড়ার কারণ জানতে চেয়ে টিপ্পনি কেটেছেন একজন, লিখেছেন, “বাবু বাহিরে কেনো গেলা।” আরেকজন লিখেছেন, “কে যেন বলছিলো পালাবোনা।”
একজন আবার নেটিজেনদের পরামর্শ দিয়েছেন, “ওদের কথা শুনে কেউ বিপদে পইড়েন না, এরা ঠিকই আরামে আছে।”
আর রসিকতা করে আরেকজন লিখেছেন, “মাত্র একটা ফানি ভিডিও খুঁজছিলাম, আল্লাহর কি ইচ্ছা, সাথে সাথে এই ভিডিও সামনে আসলো।”