নিউ ইয়র্কে শতবার্ষিকী উদযাপনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও ব্যর্থতার জিজ্ঞাসা

নিউ ইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানের মূল বক্তা/কী-নোট স্পিকারের ভাষণের লিখিতরূপ।

মোস্তফা সারওয়ারমোস্তফা সারওয়ার
Published : 26 Nov 2022, 06:46 PM
Updated : 26 Nov 2022, 06:46 PM

যশোর বোর্ডে মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় স্থান ও উচ্চ মাধ্যমিকে সকল বিভাগে প্রথম স্থান লাভের পর ১৯৬৭ সালে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পেয়েছিলাম বাংলাদেশের তৎকালীন শ্রেষ্ঠতম বিদ্যাপীঠ প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আজ আমার সকল সাফল্যের মূলে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহান শিক্ষকদের অসাধারণ জ্ঞান, নিষ্ঠা ও মানুষ গড়ার নিদারুণ আকুতি, অনুরাগ এবং অভিনিবেশ। আমার অন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের। 

আমার আজীবন পথচলার মাঝে দশটি বছরের দীর্ঘ বিরতির এক সম্মোহনী সরাইখানা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে হয়েছিল আমার যাত্রাবিরতি। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর দুটি ডিগ্রি লাভের পর প্রভাষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করেছি প্রায় সাড়ে তিন বছর। নির্বাচিত হয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সিনেটের ফাউডিং সদস্য। ছিলাম সলিমুল্লাহ হলের সহকারী হাউজ টিউটর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি রোমন্থনে মনে পড়ে, পুঁথিগত বিদ্যার বাইরেও আমরা জড়িয়ে পড়তাম সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জীবনে। আমাদের অবসরের সময় কাটত সঙ্গীত, সাহিত্য, দর্শন, রাজনীতি এবং সমসাময়িক বিষয়ের আলোচনা ও আড্ডায়। পুঁজিবাদী দৈত্যের এক বিশাল যন্ত্রের হৃদয়হীন স্ক্রু অথবা নাট না বানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ তখন ছিল হৃদয়বৃত্তির মাধুরী মিশিয়ে জীবিকার দক্ষ কারিগর এবং সমাজ ও প্রকৃতির হিতৈষী হিসেবে ছাত্রদের গড়ে তোলা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আনাচে-কানাচে ছিল বিশাল বিশাল জারুল, কৃষ্ণচূড়া, অশ্বত্থ গাছের সমারোহ। ফুলার রোড, নীলক্ষেত, রেসকোর্স হতে কার্জন হল এবং হাই কোর্ট পর্যন্ত পথে পথে, ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝখানের রাস্তার দু-পাশে ছিল দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষরাজি। রাস্তাগুলো থাকত ছায়ায় ঘেরা। এমনই মোহনীয় পরিবেশবান্ধব পারিপার্শ্বিকতায় আমরা জ্ঞানের দীক্ষায় সময় কাটিয়েছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পড়াশোনার সময়টা ছিল বাংলার ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল ক্রান্তিকাল। ১৯৬৯ সালের স্বায়ত্তশাসনভিত্তিক এগারো দফার গণঅভ্যুত্থান, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ফাঁসির মঞ্চ থেকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠতম বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে ছিনিয়ে আনা, ছদ্মবেশী সামরিক একনায়ক আইয়ুবের এক দশকের স্বৈরশাসনের অবসানে সামরিক বাহিনীপ্রধান ইয়াহিয়ার ক্ষমতা দখল, ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের প্রলয়ঙ্করী ঝড় ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, সংযুক্ত পাকিস্তানের একমাত্র জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ; একের পর এক ঘটেছিল যুগান্তকারী ঘটনা। গণঅভ্যুত্থান ও স্বাধীনতা যুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অবিস্মরণীয়। বস্তুতপক্ষে এসব আন্দোলনের পুরোধা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এসব যুগান্তকারী ঘটনার মাঝখানেই পদার্থবিজ্ঞানে অনার্স ও অন্যান্য সাবসিডিয়ারি বিষয়ে আমাদের পড়াশোনা চলছিল। অন্যান্য বিভাগেও জ্ঞানের সাধনার কোনো বিরতি ছিল না। আয়োজনজনিত সমস্যার কারণে পরীক্ষাগুলো অবশ্য পিছিয়ে গিয়েছিল। 

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জন্মলগ্ন থেকেই বিশ্ববিখ্যাত অধ্যাপক এবং পৃথিবীজোড়া সুনামধারী ছাত্রদের সমারোহে ধন্য হয়েছে। একসময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু– পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম জ্যোতিষ্ক। বিশ্বব্রহ্মাণ্ড যে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা দ্বারা তৈরি, তার গুরুত্বপূর্ণ অংশের নামকরণ করা হয়েছে ‘বোসন’—সত্যেন বোসের নামে। বোস-আইনস্টাইন থিওরি ও কনডেনসেটের ওপর গবেষণাকারীদের গত কয়েক বছরে দু-বার নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির আদি-কণা ‘ঈশ্বর কণা’-এর নাম হলো হিগস-বোসন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কত হাজার হাজার পদার্থবিজ্ঞানের পুস্তকে 'বোসন'-এর উল্লেখ রয়েছে তার কূল-কিনারা করা যাবে না।

এই একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ছাত্র ছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠতম বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রমজীবী কর্মচারীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই হলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার ‘মুজিবনগর সরকার’-এর প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্যতম অ্যালামনাই। বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে তার উদ্ভাবিত সোশ্যাল অন্টারপ্রেনারশিপের নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে। আরেকজন খ্যাতনামা অ্যালামনাই ফজলুর রহমান খান পৃথিবীর অন্যতম সুউচ্চ-ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার)-এর নকশা প্রণয়ন করেন। তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের মধ‍্যে অন‍্যতম বলা হয়। ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইতিহাসবিদ আরসি মজুমদার ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠতম আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশ হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অ্যালামনাই। আমি নাম বলে শেষ করতে পারব না। 

আবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে কতিপয় কুলাঙ্গারও রয়েছে। বাংলার নব্য মীরজাফর খন্দকার মোশতাকও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ছিল। লক্ষ লক্ষ সম্মানিত অ্যালামনাইদের মধ্যে দু-একটি বিষাক্ত ভুজঙ্গ থাকতেই পারে। তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই। বিবর্তনের মিসিং লিংক নিওনডারথাল খন্দকার মোশতাক নামক অ্যালামনাইয়ের প্রতি রইল আমার নিদারুণ ঘৃণা।

আমাদের প্রাণপ্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠায় যারা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাদেরকে আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করব। ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ এবং নবাব নওয়াব আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধি দল ভারতের গভর্নর জেনারেল এবং ভাইসরয় চার্লস হার্ডিঞ্জ-এর সাথে দেখা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছিলেন। ১৯১২ সালের ২৭ মে ‘নাথান কমিশন’ গঠন করা হয়। এই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

মাত্র বারোটি বিভাগ, তিনটি ফ্যাকাল্টি, তিনটি আবাসিক হল, ষাটজন শিক্ষক এবং আট শ সাতাত্তর জন শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ এক শ বছর পর চুরাশিটি বিভাগ, তেরটি ফ্যাকাল্টি, উনিশটি আবাসিক হল, চারটি হোস্টেল, দু-হাজারের বেশি শিক্ষক এবং ছেচল্লিশ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছে অসংখ্য ব্যুরো, গবেষণা কেন্দ্র, ইন্সটিটিউট এবং অ্যাফিলিয়েটেড কলেজ।

দালানকোঠা, শিক্ষক-ছাত্রের সমারোহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশাল আকার ধারণ করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, জ্ঞান ও শিক্ষার মাপকাঠিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কি আশানুরূপ থাকছে? এর উত্তর পাওয়ার আগে প্রথমেই জানা দরকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী? সংক্ষেপে তিনটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য– ১) জ্ঞানের সৃজন অর্থাৎ creating knowledge, ২) দক্ষ মানবসম্পদের বিকাশ এবং ৩) সহৃদয় চরিত্রবান মানুষ তৈরি।

এক এক করে পর্যালোচনা করব কতকগুলো প্রশ্নের মাধ্যমে। আপনাদের কাছ থেকেই উত্তর খুঁজে পাবো আশাকরি। বর্তমান পৃথিবীর জ্ঞানভাণ্ডারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান কতটুকু? এর প্রমাণ হলো পৃথিবীর প্রথম শ্রেণির জার্নালে ছাপানো গবেষণাপত্র। এর জন্য রয়েছে SJR (Scimago Journal Rank) স্কিমাগো জার্নাল র‍্যাংক নামে অন্যতম মাপকাঠি। প্রশ্ন হলো, প্রথম শ্রেণির জার্নালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের ছাপানো গবেষণাপত্রের সংখ্যা কত? কতটি আন্তর্জাতিক প্যাটেন্ট অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ফল? চুরাশিটি বিভাগ, ষাটটি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র, দু-হাজারের বেশি শিক্ষকের অবদান নিদারুণ লজ্জার বিষয়।

দক্ষ মানবসম্পদ বিকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান কতটুকু? প্রশ্ন হলো, দেশের বৃহৎ ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কতজন বিদেশি নাগরিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন এই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে? ২০১৯ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিদেশি ম্যানেজার, নির্বাহী ও প্রযুক্তিবিদরা ছয় বিলিয়ন ডলারের মতো অর্থসম্পদ বাংলাদেশ থেকে বাইরে পাঠিয়েছে। এটাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের বিষয় বলা যাবে না কোনোভাবেই। 

আজকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিতদের শতকরা কতজন সহৃদয় চরিত্রবান মানুষ হিসেবে পরিচিত? কতজন ঘুষ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, তোষামোদী, চামচাগিরির মতো ঘৃণিত জীবনকে বেছে নিয়েছে? সভ্য দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় বাধ্যতামূলকভাবে এথিকস পড়ানো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তা হচ্ছে না কেন?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে দেখা প্রয়োজন। 

এককালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথিবীতে র‍্যাংকিং ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ড রিপোর্ট অনুযায়ী কেন নয় শ সাতাত্তর? এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তুলনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং কেন দু শ তেষট্টিতে রয়েছে?

নিয়োগ ও প্রমোশনে দলবাজি, স্বজনপ্রীতি, তোষামোদি, চামচাগিরির প্রভাব কতটা? সুষ্ঠু নিয়োগ ও প্রমোশন হচ্ছে না বলেই কি প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের আজ এই করুণ পরিণতি?

কারিকুলাম আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টা রয়েছে কি? সুষ্ঠু সংস্কারের অপেক্ষায় থাকব।

আপনারা আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একসময়ের ছাত্র ও শিক্ষক হিসেবে গর্বিত। পৃথিবীতে এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই যেখানকার আত্মত্যাগী ছাত্রদের অবদানে একটি ভাষা বিশ্বভাষার মর্যাদা পেয়েছে, একটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রগামী সৈনিকের ভূমিকা রেখেছে এবং স্বৈরতন্ত্রের পতনে রেখেছে নিদারুণ অবদান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই হলো একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যা এইসব মহান অর্জনে মহিমান্বিত হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশচুম্বী খরচ বহন করার মতো সৌভাগ্য নিয়ে জন্মায়নি এমন হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেখেছে মহান ভূমিকা। আমি গর্বিত।

তথাপি স্বাধীন বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজন আত্ম-সমালোচনা এবং তার ভিত্তিতে আমূল সংস্কার।

(২৬ নভেম্বর, ২০২২। নিউইয়র্কে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ, ইনক-এর আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানের মূল বক্তা/কী-নোট স্পিকার ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিয়েন্সের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ড. মোস্তফা সারওয়ারের ভাষণকে ভিত্তি করে প্রবন্ধটি রচিত হয়েছে)

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক