Published : 14 Feb 2026, 09:07 PM
‘হ্যাঁ’ জয়লাভের পর এখন মূল আলোচনার বিষয় হলো জুলাই সনদের বাস্তবায়ন। প্রশ্ন উঠছে—গণভোটে জয় মানেই কি ৪৮টি প্রস্তাবের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত? সংবিধান সংশোধন বা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের মতো বিষয়ে পরবর্তী সংসদ কতটা বাধ্যবাধকতার মধ্যে থাকবে? বিশেষ করে, যে সনদের অনেকগুলো পয়েন্টে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত ছিল, সেই বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় সনদটি বাতিলের ক্ষমতা রাখবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সর্বোপরি, আগের সরকারের নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত বা গণভোটের ফলাফল পরবর্তী নির্বাচিত সংসদের সার্বভৌমত্বকে কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
গণভোটের ফলাফল
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তাতে দেখা যাচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা চার কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬। এতে আরো দেখা গেছে, গণভোটে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ২৮৬টি। ভোট বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি। নানা কারণেই ভোট বাতিল হয়। যেমন কেউ হয়তো ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর সঠিক ঘরে সিল দিতে পারেননি। কেউ হয়তো ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ কোনোটাতেই ভোট দেননি। কেউ হয়তো ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ দুটিতেই সিল দিয়েছেন। এরকম ত্রুটিপূর্ণ ব্যালটগুলো বাতিল হয়েছে।
অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন, যে ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন ভোটার ‘না’ ভোট দিলেন, তারা কি জুলাই সনদ বা সংস্কারের বিপক্ষে? পক্ষান্তরে যে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেন, তাদের সবাই কি জুলাই সনদ বা সংস্কারের পক্ষে? উত্তরটা হয়তো সহজ নয়। কেননা, যে চারটি প্রশ্ন এবং জুলাই সনদের ৪৮টি প্রস্তাবের আইনি বৈধতার জন্য গণভোট হলো, তার সবগুলো প্রস্তাবের সঙ্গে একমত হয়ে সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং সবগুলো প্রস্তাবের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে কি তারা ‘না’ ভোট দিয়েছেন? সবার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজন্য নয়। কেননা অনেকেই ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট দিয়েছেন অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে; অনেকে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোট দিয়েছেন না বুঝে। তবে অনেকে নিশ্চয় বুঝেশুনেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়েছেন। কিন্তু কত শতাংশ লোক বুঝেশুনে ‘হ্যা’ বা ‘না’ দিয়েছেন এবং কত শতাংশ না বুঝে দিয়েছেন, অর্থাৎ গণভোটে জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটল কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর জানা কঠিন।
এখন কী হবে?
জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫-এর গেজেটে বলা হয়েছে, গণভোটে উপস্থাপিত প্রশ্নের উত্তরে প্রদত্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট (‘হ্যাঁ’) সূচক হলে (ক) জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে, যারা সংবিধান সংস্কার বিষয়ে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ একইসঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করবে এবং সেটি সম্পন্ন হওয়ার পর পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে। অর্থাৎ যারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন, তারা প্রথম ১৮০ দিন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করবেন এবং এই সময়ের মধ্যে জুলাই সনদে উল্লিখিত সংস্কার প্রস্তাবগুলোর ওপর আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন যে, সনদের কোন কোন বিধানের কতটুকু তারা রাখবেন বা রাখবেন না।
পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা পুরো জুলাই সনদ অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিতে পারেন। আবার প্রতিটি প্রস্তাব নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা ও বিতর্ক হতে পারে। সেই বিতর্কের মধ্য দিয়েই ঠিক হতে পারে যে, পরিষদ কোন কোন প্রস্তাব অনুমোদন করবে বা করবে না। কোনো কোনো প্রস্তাব সংশোধিত আকারেও পাস হতে পারে। অর্থাৎ সংসদে যে প্রক্রিয়ায় সাধারণ আইন প্রণয়ন বা সংবিধান সংশোধনের সময় বিতর্ক হয়, আলাপ-আলোচনা হয়, জুলাই সনদ ইস্যুতেও সংসদে সেরকম আলোচনা হতে পারে এবং স্পিকার এগুলো যখন ভোটে দেবেন, তখন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ বললেই কেবল সেগুলো অনুমোদিত হবে।
জুলাই সনদের কিছু বিষয় সরাসরি সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তন। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য যদি মনে করেন যে, সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই বা যেভাবে আছে সেখানে তারা সংশোধন আনতে চান, অথবা তারা যদি মনে করেন যে, জুলাই সনদে যেভাবে আছে সেভাবেই তারা একমত—সেটিও ভোটে দিতে হবে।
এর বাইরে সংসদের উচ্চকক্ষ, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মেয়াদ, রাষ্ট্রপতি নিয়োগ, সংসদে সদস্যদের কথা বলার স্বাধীনতাসম্পর্কিত ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিগুলোর সভাপতি বিরোধী দল থেকে নিয়োগের মতো বিষয়গুলোতেও সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের প্রতিফলন ঘটবে। এসব প্রস্তাবের ওপর আশা করা যায় যে, দীর্ঘ আলোচনা ও বিতর্ক হবে। এর মধ্যে সংসদের উচ্চকক্ষের বিষয়ে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা একমত হন তাহলে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে, যার সদস্য সংখ্যা হবে একশো। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে এই ১০০ আসন বণ্টন হবে এবং সংশ্লিষ্ট দলগুলো এসব আসনের বিপরীতে তাদের সদস্য মনোনয়ন দেবে।
কী আছে জুলাই সনদে?
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে ৪৮টি প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে আছে নাগরিকদের পরিচয় বাংলাদেশি, সংবিধান সংশোধনে সংসদের উভয়-কক্ষের অনুমোদন, সংবিধানের ৭-এর ক এবং ৭ খ বিলুপ্ত করা। প্রসঙ্গত, ৭ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় সংবিধান বা এর কোনো অনুচ্ছেদ বাতিল বা স্থগিত করতে পারবে না। করলে সেটি রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ওই ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন। বলা হয়, এই বিধানটি করা হয়েছিল, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে সংবিধান বাতিল বা স্থগিত করা প্রতিহত করতে। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল বন্ধ করতে। কিন্তু সংবিধান থেকে এই বিধানটি বাতিল করে দিলে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বা সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের পথ বন্ধ হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
এর বাইরে জুলাই সনদে আরও যেসব প্রস্তাব রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তন, নাগরিকের মৌলিক অধিকারের আওতা বাড়ানো, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো; একজন ব্যক্তির ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারা; একই ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় প্রধান হতে না পারা; তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানো; সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো; বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে নিয়োগ; জাতীয় স্বার্থ বা নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে এমন যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের পরে আইনসভার উভয়কক্ষে সেটির অনুমোদন; ন্যায়পাল নিয়োগসহ বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মকমিশন, দুদক সংস্কারের জন্যও বেশ কিছু প্রস্তাব রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন নেই
জুলাই সনদ আদেশ বাস্তবায়ন আদেশে বলা হয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ কর্তৃক গৃহীত সংবিধান সংস্কার চূড়ান্ত হবে এবং এটির কোনো অনুমোদন বা সম্মতির প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন হবে না। যেকোনো সাধারণ আইনেও যেখানে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন হয়, সেখানে সংবিধান সংস্কারের মতো বিষয়ে তার অনুমোদনের বিষয়টি উপেক্ষা করার যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যায় না। হয়তো বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে বিবেচনায় নিয়ে এই বিধান করা হয়েছে। কিন্তু সাহাবুদ্দিন নির্বাচনের পরে যে আর রাষ্ট্রপতি থাকবেন না, সে কথা তিনি নিজেই বলেছেন। তাছাড়া রাষ্ট্রপতিকে কোনো ব্যক্তি বিবেচনায় দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি প্রতিষ্ঠান। জুলাই সনদে একদিকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, অন্যদিকে সংবিধান সংস্কারের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন উপেক্ষা করা হয়েছে। এটি সাংঘর্ষিক।
‘হ্যাঁ’ জয়ী মানেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন?
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে বলেই জুলাই সনদের বর্ণিত প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হয়ে যাবে বা সরকার সব প্রস্তাব মেনে নিতে বাধ্য থাকবে—বিষয়টা এমন নয়। কেননা, কোনো সরকার বা কোনো সংসদ পরবর্তী সংসদ কী করবে বা করতে পারবে না, সেটি ঠিক করে দিতে পারে না। সংসদ চাইলে পূর্ববর্তী সংসদে গৃহীত যেকোনো আইন বাতিল করে দিতে পারে। সেই হিসেবে সংসদ চাইলে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো বাতিল করেও দিতে পারবে। সেই এখতিয়ার সংসদে আছে। কিন্তু দেশের মানুষ কি তা প্রত্যাশা করে?
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আইনি বিবেচনার চেয়ে রাজনৈতিক বিবেচনাকেই বড় করে দেখছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “গণভোটের মধ্য দিয়ে সংস্কারের বিষয়ে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। রাষ্ট্র সংস্কারের ব্যাপারে সব রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারবদ্ধ। ক্ষমতাসীন দল এবং জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো এবং সংসদের বাইরেও যেসব রাজনৈতিক দল আছে তাদের সবার প্রতি আহ্বান হচ্ছে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যম ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”
সংস্কার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকার গঠন করতে যাওয়া দল বিএনপির কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আলী রীয়াজ বলেন, সার্বভৌম জনগণের অভিপ্রায় হিসেবে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলেরই এ বিষয়ে নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা আছে। তিনি বলেন, “কেবল লিখিত আইনের বিবেচনার চেয়ে রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে সেভাবেই বিবেচনা করবেন বলে আশা করি।”
জুলাই সনদের কিছু বিষয়ে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত থাকলেও যেহেতু সংস্কার প্রস্তাবের সঙ্গে তারা একমত এবং জুলাই সনদেও তারা স্বাক্ষর করেছে, অতএব সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সেখানে জুলাই সনদে উল্লিখিত প্রস্তাবগুলোর ওপর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একমত হওয়া বিষয়গুলো সংবিধানে যুক্ত করা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে উদ্যোগ নেবে—এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি যদি সবগুলো প্রস্তাব নাকচ করে দেয়—তাহলে গত দেড় বছর ধরে আলোচিত সংস্কার শব্দটি মুখ থুবড়ে পড়বে। সুতরাং, দেশ ও মানুষের কল্যাণে সংবিধানে যেসব সংশোধন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব জায়গায় সংস্কার প্রয়োজন—সেসব বিষয়ে সংসদ তথা সংবিধান সংস্কার পরিষদ একমত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন পরবর্তী প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, “রাষ্ট্র মেরামাতের ৩১ দফার রূপরেখা প্রণনয়ন করেছিল বিএনপি। একইসঙ্গে কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে জুলাই সনদের স্বাক্ষর করেছে। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া বিষয়গুলো দেশের স্বার্থে বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।”