১০ ডিসেম্বর নিয়ে জেদাজিদির রাজনীতি

আওয়ামী লীগকে শক্তিহীন ভাবা যেমন বিএনপির বোকামি, তেমনি বিএনপিরও জনসমর্থন নেই ভাবলে আওয়ামী লীগও চরম ভুল করবে।

বিভুরঞ্জন সরকারবিভুরঞ্জন সরকার
Published : 2 Dec 2022, 11:34 AM
Updated : 2 Dec 2022, 11:34 AM

ডিসেম্বর মাস বাঙালি বিজয়ের মাস হিসেবে উদযাপন করে থাকে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের হানাদার সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হঠাৎ করে বাঙালির ওপর ট্যাংক-কামান-বন্দুক নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানের বর্বর সেনাবাহিনী। ওরা শুরু করেছিল গণহত্যা আর বাঙালি শুরু করেছিল প্রতিরোধ যুদ্ধ। ৯ মাসের অসম যুদ্ধের শেষ হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পণ করেছিলেন মুক্তি ও মিত্র যৌথবাহিনীর অধিনায়ক জেনারেল অরোরার কাছে। এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছিল। স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় নিশ্চিত হয়েছিল। বাঙালি ছিল সেদিন আনন্দে উদ্বেল। সেই থেকে ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের পরিস্থিতি এক নয়। ওই ডিসেম্বরে বাঙালি জাতি ছিল মোটামুটি ঐক্যবদ্ধ। সবার হৃদয় ছিল দেশপ্রেমের আবেগে চনমনে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকলেও তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো দ্বিধাবিভক্তি ছিল না। বরং তিনি কবে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরবেন, সেটা ছিল সবার চিন্তার বিষয়। পাকিস্তানি দুঃশাসনে যে সোনার বাংলা শ্মশানে পরিণত হয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তা আবার সোনার বাংলায় পরিণত হবে– এই বিশ্বাসে মানুষের ছিল প্রবল আস্থা। কিন্তু বিজয় লাভের ৫১ বছরের মাথায় এই ডিসেম্বরে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যে পাকিস্তানকে পরাজিত করে পাকিস্তানি ধারার রাজনীতির কবর রচনা করা হলো বলে ভাবা হয়েছিল, সেই ভাবনা সঠিক হয়নি। বিজয়ের চার বছর পূরণের আগেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আবার পাকিস্তানি ধারার রাজনীতি দেশে ফিরে আসে, তার আর মূল উপড়ে ফেলা যায়নি। 

তারপর অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আওয়ামী লীগ শাসন ক্ষমতায় ফিরে এলেও রাজনীতিতে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনা আর পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী সময়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তিকে রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ দিয়ে যে বিষবৃক্ষ রোপণ করা হয়েছিল, তা এখন ফল দিতে শুরু করেছে। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথ এখন বিপদসংকুল। ধর্ম নিয়ে রাজনীতির পথ প্রশস্ত হয়েছে। এই ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেও বাঙালি রাজনৈতিকভাবে এখন বিভক্ত। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হলেও তাকে ক্ষমতা থেকে হটানোর জন্য আবার মাঠ গরম করার রাজনীতি শুরু হয়েছে। ক্ষমতা পরিবর্তনের শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায় নির্বাচনে অংশ না নিয়ে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। এটা ঠিক যে, শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বসভায় পরিচিত করে তুললেও আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে। সরকার সব মানুষের আশা পূরণ করতে পারেনি। কোনো দেশে কোনো সরকারই তা পারে না। মানুষের মধ্যে বৈষম্য কমেনি। দেশে সত্যিকার অর্থে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হয়নি। একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার অভাব দূর হয়নি।

এই সুযোগে আওয়ামী লীগের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি মাঠে নেমে পড়েছে। বিএনপি ক্ষমতার বাইরে আছে ১৬ বছর। এই দলের প্রধান দুই নেতা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দণ্ডিত। নির্বাচনী রাজনীতির অযোগ্য তারা। সেজন্যই নির্বাচনের চেয়ে বিএনপির আগ্রহ আন্দোলনে। কিন্তু বিএনপি চাইলেই দেশে আন্দোলন হবে, এটা কি নিশ্চিত করে বলা যায়? সেজন্য এই দলটি বাঁকা পথে হাঁটার কৌশল নিয়েছে। আওয়ামী লীগবিরোধী, ভারতবিরোধী সব দেশি-বিদেশি শক্তিকে এক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় একটি সমাবেশ করার নামে বিএনপি দেশে একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় বলে বিএনপি নেতাদের উস্কানিমূলক বক্তব্য-বক্তৃতা থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায়।

বিএনপির ঢাকার এই বিভাগীয় সমাবেশের স্থানকে কেন্দ্র করে সপ্তাহদুয়েক ধরে প্রধান দুই দলের নেতাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য চলছে। গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামে গণসমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপি বিভাগীয় পর্যায়ের এই ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু করে। সবশেষ ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায় গণসমাবেশ করেছে দলটি। আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে সমাবেশ হবে। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।

বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে ১৫ নভেম্বর ডিএমপিকে চিঠি দিয়েছিল। বিএনপির সেই চাওয়ায় সাড়া না দিয়ে বিকল্প হিসেবে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান অথবা পূর্বাচলে সমাবেশ করতে বিএনপিকে প্রস্তাব দেয় পুলিশ। তাতে রাজি না হলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। বিএনপি তাতেও রাজি হয়নি। এমন অবস্থার মধ্যেই ২৯ নভেম্বর ডিএমপির এক চিঠিতে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে ২৬টি শর্তে গণসমাবেশ করার অনুমতির কথা জানানো হয়েছে। কিন্তু বিএনপি বলেছে, তারা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনেই সমাবেশ করবে। 

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঢাকায় গণসমাবেশের জন্য মৌখিকভাবে নয়াপল্টনের পাশাপাশি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের কথা বলেছিল বিএনপির প্রতিনিধিদল। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) এ কে এম হাফিজ বলেছেন, “যেকোনো সভা-সমাবেশের অনুমতি দিয়ে থাকেন ডিএমপি কমিশনার। বিএনপির প্রতিনিধিদল প্রথম যেদিন আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন, তারা মৌখিকভাবে তিনটি জায়গার কথা বলেছিলেন। সেগুলো হলো– নয়াপল্টন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। ডিএমপি কমিশনার তাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দিয়েছেন। আইন মেনে সেখানেই তাদের সমাবেশ করতে হবে। আর যদি সেখানে সমাবেশ না করে, তাহলে পুলিশ বা প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।”

এখন বিএনপি নেতারা বলছেন, তারা অন্য কোনো জায়গার কথা বলেননি। প্রশ্ন হলো, বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ব্যাপারে এত অনমনীয় কেন? তাহলে তাদের কি নয়াপল্টন ঘিরে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে? সংবাদপত্রে এ নিয়ে যেসব খবর ছাপা হচ্ছে তা থেকে জানা যায়, সম্ভবত কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নিয়েই নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে অনঢ় রয়েছে বিএনপি। তারা একটি সংঘাতের পরিবেশ তৈরি করতে চায়। ঢাকার ‘স্নায়ুকেন্দ্র’ হিসেবে পরিচিত একটি এলাকায় জনসমাগম করে সবকিছু অচল করে সরকারকে চাপে ফেলতে চায় তারা? নয়াপল্টন এলাকায় অসংখ্য গলিপথ রয়েছে। এই গলিগুলোতে জামায়াতের কর্মীরা বিএনপির সমর্থনে অবস্থান নেবে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপির ওপর চড়াও হলে গলি থেকে জামায়াতের প্রশিক্ষিত কর্মীবাহিনী পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। 

বিএনপির পক্ষ থেকে ১০ ডিসেম্বরের পর খালেদা জিয়ার নির্দেশে দেশ চলবে, তারেক দেশে ফিরে সমাবেশে যোগ দেবেন– ইত্যাদি হুমকি দেওয়ার পর সরকার ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে গুরুতরভাবেই নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা বার বার বলছেন, বিজয়ের মাসে বিএনপি কোনো ধরনের নৈরাজ্য তৈরি করতে চাইলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ কর্মীরাও ওইদিন রাজপথে থাকবে বলে জানানো হয়েছে। দুই পক্ষের এই মারমুখী প্রস্তুতির খবরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ছে। মানুষ যেমন বিএনপিকে সমাবেশ করতে না দেওয়া পছন্দ করে না, তেমনি সমাবেশের নামে জনজীবনে সংকট তৈরি করারও বিরুদ্ধে তারা। সরকার যেহেতু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে, সেহেতু বিএনপির উচিত নয়াপল্টনের সংকীর্ণ রাস্তা দখল না করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বড় জমায়েত করে সরকারকে তাদের সামর্থ্য দেখিয়ে দেওয়া। সরকার ও আওয়ামী লীগেরও উচিত হবে বিএনপিকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে দেওয়া। পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া বাধানো কোনো ভালো কাজ নয়। 

বিএনপি যেসব বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ করে কথা বলছেন, তাদেরও উচিত হবে, বিএনপিকে অহেতুক উত্তেজনা তৈরির পথ পরিহার করার পরামর্শ দেওয়া। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশিদের নাক গলানো অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও রাজনীতিবিদরাই তাদের নাক গলানোর সুযোগ করে দেন। খাল কেটে কুমির আনার সুবুদ্ধি আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদেরই আছে। নিজেদের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নিনিয়ান বা তারানকোকে আমাদের রাজনীতিবিদরাই ডেকে এনেছিলেন। 

১৪ নভেম্বর ঢাকায় কানাডিয়ার রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিলির সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। সেখানে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ওই বৈঠক হয়। এর আগে ৮ নভেম্বর ঢাকায় সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকসান্দ্রা বার্গ ফন লিন্ডে এবং নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ফেন্ডসেনের সঙ্গে বিএনপি নেতারা বৈঠক করেছেন।

আবার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নৈশভোজের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে বলেও গণমাধ্যমে খবর ছাপা হয়েছে। পিটার হাসসহ মার্কিন দূতাবাসের কয়েকজন কর্মকর্তা গত সোমবার রাতে গুলশানে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদের বাসায় নৈশভোজে অংশ নেন। ওই সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এবং মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ম্যাথিউ বে উপস্থিত ছিলেন।

পত্রিকায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, সৌজন্যমূলক হলেও নৈশভোজে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিয়ে কথাবার্তার পাশাপাশি রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের আলোচনা হয়েছে। মাহবুব উল আলম হানিফ সংবাদমাধযমকে বলেছেন, “কোনো দাওয়াতে গেলে যেসব কথাবার্তা হয়, তা-ই হয়েছে। এর বেশি কিছু নয়। নৈশভোজের আগে আমরা দুই দেশের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। সম্পর্কটা কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।” 

এসব দেখাসাক্ষাৎ, খানাপিনা ১০ ডিসেম্বর ঘিরে তৈরি উত্তেজনা প্রশমনে কোনো ইতিবাচক ভূমিকা রাখে কি না, দেখার বিষয় সেটা। সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ, না সমাবেশের স্থান গুরুত্বপূর্ণ সেটা বিএনপিকে ঠিক করতে হবে। শক্তি পরীক্ষার নামে শূন্যে গদা ঘুরিয়ে সাধারণ মানুষকে ঘাবড়ে না দিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের উচিত সমঝোতার পথে হাঁটা। আওয়ামী লীগকে শক্তিহীন ভাবা যেমন বিএনপির বোকামি, তেমনি বিএনপিরও জনসমর্থন নেই ভাবলে আওয়ামী লীগও চরম ভুল করবে। একাত্তরের ডিসেম্বর মানুষ যতটা একমুখী চিন্তায় ছিল, বাইশের ডিসেম্বরে যে তা নেই– রাজনীতির সব পক্ষকেই সেটা মনে রাখতে হবে। 

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক