Published : 01 Jan 2026, 11:07 AM
আগের বছরের মত বিদায়ী বছরেও উল্লেখযোগ্য সাফল্যের দেখা পাননি নাট্য নির্মাতা, প্রযোজক ও অভিনয়শিল্পীরা।
বিনিয়োগ সংকট, নির্মাণ কমে যাওয়ার পাশাপাশি ‘প্রধান অভিনয়শিল্পীদের’ দূরে সরে যাওয়ায় নাটক শিল্প মন্দা দশা থেকে বের হতে পারছে না।
নির্মাতা ও প্রযোজকরা বলছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে স্পন্সরের অভাব ও বাজেট ঘাটতির কারণে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো নাটক নির্মাণ কমিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে ইউটিউবে নাটক নির্মাণ অব্যাহত থাকলেও শিল্পী সংকট ও কনটেন্টের মান আশানুরূপ না হওয়ায় দর্শক আগ্রহও বদলাতে শুরু করেছে।
তবে ভিন্ন চিত্র ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এ বছর সক্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো দর্শকদের জন্য নানা ঘরানার কনটেন্ট নিয়ে হাজির হয়েছে।
মঞ্চেও বছরটা ভালো কেটেছে। নতুন নাটকগুলোতে দর্শকের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
কমেছে টেলিভিশন নাটক
মাছরাঙা টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সহকারী ব্যবস্থাপক রিয়াদ শিমুলের তথ্যমতে, চলতি বছর মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচার হওয়া একক নাটক, ধারাবাহিক নাটক ও টেলিফিল্মের সংখ্যা প্রায় দুই শতাধিক।
এর মধ্যে আলোচনায় থাকা একক নাটকগুলো হলো ‘ভুল সবই ভুল’, ‘বজরা’, ‘কী মায়ায় জড়ালে’, ‘ভাঙা আয়নার গল্প’, ‘শো অফ’, ‘রঙিন জীবনের গল্প’, ‘স্বপ্নচুরি’, ‘চুপকথা’, ‘অনামিকা’, ‘আশিকি’ এবং ‘অদৃশ্য মায়া’।
টেলিফিল্ম বিভাগে দর্শকপ্রিয় হয় ‘মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর’, ‘অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ’, ‘লাইজু’, ‘বেঈমান’ ও ‘মন দিওয়ানা’।
পাশাপাশি আলোচনায় থাকা ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘অনলাইন অফলাইন ২’, ‘সিটি লাইফ’, ‘তেল ছাড়া পরোটা’ এবং ‘শাদী মোবারক’।
এ ছাড়া ডাবিং সিরিয়াল হিসেবে প্রচার হওয়া তুর্কি সিরিজ ‘কারদেসলারিম’ এর বাংলা সংস্করণ ‘বড়ো ভাই’ নাটকও দর্শক ধরে রেখেছে।
আরটিভির প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ ইসমাঈল আহমদ গ্লিটজকে বলেছেন, চলতি বছর আরটিভি থেকে প্রচার হওয়া নাটকের সংখ্যা ৯৫টি। এর মধ্যে আলোচিত নাটক হচ্ছে ‘লেডিস পারফিউম’, ‘খাল কেটে কুমির’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হোসেন এর গল্প’, ‘ভাই ভাই দন্দ্ব’, ‘এক্স বয়ফ্রেন্ড ওয়েডিং’, ‘সানগ্লাস ফ্যামিলি’, ‘টাক কোন সমস্যা না’।
আহমদ বলেন, তালিকার আটটি নাটকের মধ্যে চারটি নাটকেই আছেন নিলয় আলমগীর ও জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। নিলয়-হিমি জুটি দর্শকের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করে। তাই ভিউয়ের দিক থেকে নাটকগুলো আলোচনায়।

এনটিভি, বৈশাখী টেলিভিশন, দীপ্ত টিভিসহ অন্যান্য স্টেশনের প্রোডাকশনও গেল বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন তারা।
টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টেলিপ্যাব) সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজু মুনতাসীর বলেছেন, “দেশের রাজনৈতিক পটপরির্তনে বিনিয়োগকারী কমে যাওয়া মার্কেটটা পুরোপুরি ঠিক হয়নি, গত বছরের তুলনায় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রোডাকশন কিছুটা কম ছিল এই বছরেও।”
টেলিভিশন নাটকের পাশাপাশি ইউটিউব নাটকও বিশাল ভূমিকা রাখে নাট্যাঙ্গনে। ইউটিউব চ্যানেলের মধ্যে সব থেকে বেশি নাটক তৈরি করে সিএমভি, পিকক ফান, দুরবিন, ক্যাপিটাল ড্রামা, জাগো এন্টারটেইনমেন্ট, সিনেমাওয়ালাসহ আরও কিছু প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।
তবে এবার ইউটিউবে ধারাবাহিক নাটকের একটা বড় পরিবর্তন এসেছে ‘সিনেমাওয়ালা’ চ্যানেলের মাধ্যমে। ‘দেনাপাওনা’ ও ‘এটা আমাদের গল্প’ ধারাবাহিক নাটক পারিবারিক গল্পে তৈরি হওয়ায় বিশেষভাবে আলোচনা তৈরি করেছে।
চলতি বছরটা কেমন কেটেছে প্রশ্নে সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলের পরিচালক ও প্রযোজক মোস্তফা কামাল রাজ গ্লিটজকে বলেন, “এই বছরটা অনেক চ্যালেঞ্জিং কিন্তু ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। কনটেন্টের দিক থেকে দর্শক অনেক বেশি সচেতন হয়েছে, তারা আর শুধু নাম বা তারকা দেখে নাটক দেখছে না। গল্প, অনুভূতি আর সত্যতা বুঝে দর্শকের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে।
“তবে বছরজুড়ে বাজেটের ঘাটতি ছিল, পরিস্থিতির একটা চাপ আছে, কিন্তু তারপরও ভালো গল্প বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই বছরটা আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে।”
ইউটিউবে পরপর দুই ধারাবাহিক নাটকের জনপ্রিয়তা নিয়ে এই প্রযোজকের ভাষ্য, “এই পরিবর্তনটা খুবই পজিটিভ মনে হয়েছে। এই চ্যানেলের মাধ্যমে ধারাবাহিক নাটকগুলো নতুন একটা ফর্ম পেয়েছে, গল্প বলার জায়গাটা বড় হয়েছে, চরিত্রগুলো ধীরে ধীরে গড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। এতে করে দর্শকও নাটকের সঙ্গে নিজেদের অনুভূতি যুক্ত করতে পারছেন।”
বছরজুড়ে অসংখ্য নাটকে দেখা গেছে অভিনেতা মোশাররফ করিমকে। এর মধ্যে কিছু নাটক হলো ‘মিস্টার মোবারক’, ‘চালবাজ দুলাভাই’, ‘রেডিও জয়নাল’, ‘ভুলোমনা’, ‘কিস্তির জ্বালা পরিবহন’, ‘ইনজেকশন মতিন’, ‘সেলিব্রিটি জ্যাকি’, ‘চাপাবাজ ফ্যামিলি’, ‘মিস্টার ঝামেলা’, ‘প্যারা আজমল’, ‘বউ আমার মেম্বার’, ‘বউ স্যরি’, ‘ভাগ্য আপনার টাকা আমাদের’, ‘আদরের জামাই’, ‘নিজের গাড়ি নিজের তেল’, ‘পথের শেষে’, ‘বিক্রিত জিনিস ফেরত নহে’, ‘বাপ বেটা ঘর জামাই’, ‘অবতার’, ‘ঘন্টির মানুষ’, ‘ইমার্জেন্সি বিয়ে’, ‘গরম একটা খবর আছে’, ‘এতিম জামাই’সহ আরও অনেক।
জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনয় করেছেন 'দেরি করে আসবেন', 'কোনো এক বসন্ত বিকেলে', 'এক ধ্রুবতারা', 'চিঠি দিও', 'মি. এ্যাবসেন্ট মাইন্ডেড', 'মন দুয়ারী', 'মেঘ বালিকা', 'প্রিয় প্রজাপতি', 'ভুল থেকে ফুল', 'মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর', 'চিঠি দিও', 'ফিরে আসা', 'ঘ্রাণ', 'বসন্ত বিকেল', 'ভুল সবই ভুল', 'এক ধ্রুবতারা'। এর মধ্যে দুই থেকে চারটি নাটক আলোচিত ছিল।
এছাড়াও নাটকে নিয়মিত কাজ করা অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে আরও রয়েছেন ফারহান আহমেদ জোভান, তৌসিফ মাহবুব, তানজীম সাইয়ারা তটিনী, ইয়াশ রোহান, মুশফিক আর ফারহান, ফারিন খান, জিয়াউল হক পলাশ, পারশা ইভানা, অর্চিতা স্পর্শিয়া, তানিয়া বৃষ্টি, সাদিয়া আয়মান, খায়রুল বাসার, কেয়া পায়েল, সারিকা সাবরিন, শামীম হাসান সরকার, সেমন্তী সৌমি, আরশ খান, তাসনুভা তিশা, জাহের আলভী, ফারজানা মিহি, সুনেরাহ বিনতে কামাল, মৌসুমী হামিদ, ইরফান সাজ্জাদসহ অনেকে।

'প্রধান শিল্পী' সংকটে ইন্ডাস্ট্রি
বিদায়ী বছরে ইউটিউবে প্রায় ৩০০ নাটক প্রযোজনা করেছেন আলি বাসীর। তবে তা গত বছরগুলোর তুলনায় কম।
প্রযোজনার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে এই প্রযোজক বলেন, “গেল বছরের ধাক্কায় নাটকের ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এখনো ঘুরে দাঁড়ায়নি, আমাদের ব্যবসার বড় একটা অংশ কিন্তু আসে স্পন্সরের মাধ্যমে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় বড় ব্যবসায়ীদের ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে, আমরা লগ্নিকারক পাচ্ছি না।”
নাটকের সামগ্রিক অবস্থার অবনতির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ‘প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রী’ সংকটের কথা জানিয়েছেন আলি বাসীর।
“গত দুই বছর ধরে নাটকের অবস্থার একটা অবনতি হয়েছে, তার কারণ আমাদের প্রধান যেসব অভিনয়শিল্পী ছিল, অর্থাৎ যাদের বড় একটা দর্শকশ্রেণি ছিল, যেমন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, আফরান নিশো, মেহজাবীন চৌধুরী, সাবিলা নূর, তানজিন তিশাসহ অনেক শিল্পীই নাটক থেকে দূরে সরে গেছেন। এই কারণে নাটকের ইন্ডাস্ট্রিতে শিল্পী ক্রাইসিস চলছে।
“নাটকের মানও কমে গেছে, ইউটিউব নাটকের বড় একটা দর্শকশ্রেণি গ্রামীণ, বিভিন্ন জেলাকেন্দ্রিক। তারা আবার রো কমেডি নাটক পছন্দ করেন। এই রো কমেডি তৈরি করতে গিয়ে নাটকের নামের মান পড়ে গেছে। গল্পেরও ভিন্নতা কমে গেছে।”
একই কথা বলেছেন ডিরেক্টর গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল হাসানও।
“গেল বছরের ৫ অগাস্টের পর থেকে আমাদের কাজ কিছুটা কমেছে, তারপর কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে, কিন্তু যেমনটা হওয়ার কথা তেমনটা হয়নি। যেহেতু নির্বাচন সামনে, টেলিভিশন চ্যানেলগুলো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম বাড়িয়ে, বিনোদন প্রোডাকশন কমিয়ে এনেছে।”
বিদেশি সিরিয়াল ডাবিং করে প্রচার করায় দেশের ধারাবাহিক নাটক কমেছে, যা নির্মাতাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ বলে মনে করে তিনি।

ওটিটিতে এগিয়ে চরকি
দেশে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে 'বঙ্গ', 'চরকি', 'আইস্ক্রিন', 'দীপ্ত প্লে', 'বিঞ্জ', 'বায়োস্কোপ প্লাস', 'হইচই বাংলাদেশ'।
এ বছর ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি মুক্তি দিয়েছে ২৭টি ভিন্নধর্মী কনটেন্ট। এসবের মধ্যে আলোচনায় ছিল সৈয়দ আহমেদ শাওকী পরিচালিত ‘গুলমোহর’, 'মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন ২', 'আমলনামা', 'ঘুমপরী', 'তোমার জন্য মন' আরও বেশ কিছু কনটেন্ট।
পাশাপাশি দেশে মুক্তিপ্রাপ্ত বেশি সিনেমাই প্রেক্ষাগৃহের পর এসেছে চরকিতে। যেমন 'বরবাদ’, ‘দাগি’, ‘জংলি’ ও ‘চক্কর ৩০২’, ‘তাণ্ডব’, ‘উৎসব’, ‘দাগি’, ‘দেয়ালের দেশ’, ‘জয়া আর শারমিন’ ও ‘ইনসাফ’সহ আরও অনেক সিনেমা।
বছরটি কেমন কেটেছে এই প্রশ্নের জবাবে চরকির প্রধান নির্বাহী ও নির্মাতা রেদওয়ান রনি বলেন, “দেশের সার্বিক পরিস্থিতির প্রভাব বিনোদনসহ সব ক্ষেত্রেই পড়েছে। দর্শক নানা রকম সামাজিক ও মানসিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। বছরটা চ্যালেঞ্জের ছিল, তবে পরিস্থিতি যেমনই হোক কনটেন্টের মান ধরে রাখাই ছিল আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
বছরজুড়ে বঙ্গ প্রচার করেছে বেশ কিছু ওয়েব সিরিজ ও সিনেমা। পাশাপাশি প্রচার হয়েছে আলোচিত রিয়েলিটি শো 'ফ্যামিলি ফিউড'। আলোচনায় ছিল 'দুঃখিত', 'ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৩', 'মির্জা', 'হাউ সুইট', 'ব্ল্যাক মানি'সহ বেশ কিছু কনটেন্ট।
গত বছরের তুলনায় এই বছর কনটেন্ট কম এসেছে। কারণ হিসেবে বিঞ্জের হেড অব কনটেন্ট উম্মে খাইরুন ইসলাম গ্লিটজকে বলেছেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন কনটেন্ট কম আসছে, ইউটিউব কনটেন্টে মনোযোগ দিচ্ছেন তারা।
হইচই বাংলাদেশে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত সিরিজ ও সিনেমার মধ্যে রয়েছে 'জিম্মি', 'আকা', 'বোহেমিয়ান ঘোড়া', 'রঙিলা কিতাব'।
অন্যান্য প্ল্যাটফর্মগুলোও বছরজুড়ে নানান কনটেন্ট প্রচার করেছে।
মঞ্চ নাটকের সাড়া ছিল বেশি

এ বছর ঢাকার মঞ্চে বিভিন্ন নাট্যদল বেশকিছু নতুন নাটক এনেছে। ঢাকা থিয়েটারের 'রঙমহাল', নাট্যদল অবলোকন ‘গন্ধসূত্র’, প্রাচ্যনাটের ‘গার্ডিয়ানস অফ দ্য গডস’, হান্ট থিয়েটারের ‘ক্যাফে দ্য ভলতে’, বটতলার ‘যোজনগন্ধা মায়া’, স্টুডিও থিয়েটার হলের 'ভাসানে উজান', নাট্যদল আরশিনগরের 'সিদ্ধার্থ', পদাতিকের ‘আলিবাবা এবং চল্লিশ চোর', দৃশ্যকাব্য থিয়েটারের ‘ইডিপাস' সহ আরও বেশ কিছু নতুন নাটকে বছর শেষ করেছে নাট্যদলগুলো।
কোনো কোনো নতুন নাটকের দুইদিন, চার দিন বা সপ্তাহব্যাপী একাধিক প্রদর্শনীতে হলভর্তি দর্শক ছিল শিল্পকলা ও নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তন জুড়ে।
যেমন নীলিমা ইব্রাহিমের গল্প, স্পর্ধার প্রযোজনায় সৈয়দ জামিল আহমদের নির্দেশনায় 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' নাটক, বঙ্গরঙ্গ নাট্যদলের ‘মৃত্যুহীন প্রাণ’, কবি জীবনানন্দ দাশের জীবন-অনুপ্রাণিত নাটক ‘কমলা রঙের বোধ’সহ আরও কিছু নাটকের প্রদর্শনীতে দর্শকের আগমন ছিল চোখে পড়ার মত।