Published : 06 Jul 2026, 11:00 PM
বলিউডের চিত্রনাট্যকার প্রযোজক সেলিম খান চলতি বছরের শুরুতে যখন প্রায় কোমায় চলে গিয়েছিলেন, তখন নিজেকে সামলানো দায় হয়ে পড়ে ছেলে পরিচারক ও অভিনেতা সোহেল খানের জন্য।
কারণ সেলিম খান সে সময় আর সুস্থ হবেন না বলে আশঙ্কা করেছিলেন চিকিৎকরা।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কদিন আগে রিয়্যালিটি শো ‘দ্য অ্যালায়েন্সে’ এ নিয়ে কথা বলেছেন সেলিম খানের ছেলে ও সালমান খানের ভাই সোহেল।
সেখানে সোহেল বলেছেন বাবার শারীরিক অবস্থার কারণে তাদের পরিবারকে ওই সময় সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল।
বছরের শুরুতে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছিল ৯১ বছর বয়সী সেলিম খানের। সে সময় তাকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় এক মাস চিকিৎসার পরে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।
সোহেল বলেন, “আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম। বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর প্রায় কোমায় ছিলেন। আমি তখন হাসপাতালেই ছিলাম। ভয়ে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। চিকিৎসক বলেছিলেন, বাবাকে হারাতেও পারি।
“আমার বাবা-মা আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। বাবার যদি কিছু হয়ে যেত, আমি কীভাবে নিজেকে সামলাতাম জানি না। আমার কাছে মা-বাবাই সব।”
সেই ঘটনার পর থেকেই যতটা সম্ভব বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন সোহেল। তার কথায়, প্রিয় মানুষকে সময় উপহার দেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, “ আমার সন্তানেরা এখনো ছোট, তাদের সঙ্গে অনেক সময় কাটানোর সুযোগ সামনে আছে। কিন্তু আমার মা–বাবার বয়স হয়েছে।”
তাই বাবা-মায়ের সঙ্গে যতটা সম্ভব সময় কাটাতে চান সোহেল।
সেলিম খানের চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময়ে তার রক্তচাপ অনেকটাই বেশি ছিল। হাসপাতালে আসার সময় সম্পূর্ণ সচেতন ছিলেন।
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে রোজার ঈদ প্রথম জনসমক্ষে দেখা যায় সেলিম খানকে। মুম্বইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বারান্দায় হুইলচেয়ারে বসে ছেলে সালমানের খানের সঙ্গে অনুরাগীদের উদ্দেশে হাত নেড়েছিলেন তিনি।