০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কৃতি মা হতে চান নিজের সিদ্ধান্তে, করেছেন ‘ডিম্বানু সংরক্ষণ’

“ডিম্বানু সংরক্ষণে আর্থিক খরচের পাশাপাশি বড় ধরনের শারীরিক ও মানসিক ধকল যায়।”

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Jul 2026, 11:14 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:27 PM

বয়স ও সামাজিক চাপকে পাত্তা দিতে নারাজ ভারতের হিন্দি সিনেমার অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। বয়স বেড়ে যাওয়ার ভয়ে তাড়াহুড়ো করে যাতে মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে না হয়, সে জন্য একটি কাজ সেরে রেখেছেন তিনি।

আর তা হল, নিজের ডিম্বানু সংরক্ষণ করে রেখেছেন কৃতি। ‘দ্য ওয়াল’কে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ৩৫ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

জীবন একটাই এবং কেবলমাত্র নিজের শর্তে বাঁচা উচিত বলে বিশ্বাস করেন তিনি। 

সাক্ষাৎকারে অকপট কৃতি বলেন, “আমি আমার ডিম্বাণু ফ্রিজ করে রেখেছি। আমি কখনোই এই সামাজিক নিয়মে আটকে থাকতে চাইনি যে নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে আমাকে বিয়ে বা সন্তান নিতেই হবে। বিয়ে বা সন্তান-যাই হোক না কেন, তা নিজের মন থেকে তাগিদ এলে তবেই করা উচিত, কোনোরকম মানসিক চাপে পড়ে নয়।” 

এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি বেশ ব্যয়বহুল জানিয়ে কৃতি বলেছেন, তিনি ভাগ্যবান যে এর খরচ বহন করার সামর্থ্য তার ছিল।

কোন সময়ে কৃতি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সেই গল্পও শুনিয়েছেন। ‘মিমি’ সিনেমায় একজন সারোগেট মায়ের চরিত্রের জন্য যখন তাকে ১৫ কেজি ওজন বাড়াতে বলা হয়েছিল, ঠিক তার আগেই তিনি এই কাজটি সারেন। 

কৃতি বলেন, “ডিম্বাণু সংরক্ষণের হরমোন ইনজেকশনের কারণে শরীর কিছুটা ফুলে যায়। তাই যখন ‘মিমি’ সিনেমার জন্য আমাকে ওজন বাড়াতে বলা হল, তখন আমার হাতে দুই মাস কোনো শুটিং ছিল না। সিনেমাটির গল্পও ছিল সারোগেসি নিয়ে। তাই বুদ্ধি করে আমি ওই সময়টাকেই বেছে নিই।”

তবে ডিম্বাণু সংরক্ষণের প্রক্রিয়াটি মোটেও সহজ নয় বলেও জানিয়েছেন কৃতি। এর পেছনে আর্থিক খরচের পাশাপাশি বড় ধরনের শারীরিক ও মানসিক ধকল যায়। 

কৃতি বলেন, “হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মেজাজের ওঠানামা করে একেবারে চরমে পৌঁছে যায়, ঠিক একজন গর্ভবতী নারীর মতো অনুভূতি হয়। পদ্ধতিটি কঠিন হলেও আমি খুশি যে আমি এটা করেছি। এটা আমার কাছে একটা সুরক্ষাকবচ যা আমাকে বয়সের চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়েছে।”

বলিউডকে ‘মিমি’, ‘ক্রু’, ‘ককটেল ২’, ‘বরেলি কি বরফি’ এবং ‘লুকা ছুপির’ মত ‘সফল সিনেমা’ উপহার দিয়েছেন কৃতি। তাকে শেষবার বড়পর্দায় দেখা গেছে ‘ককটেল ২’ সিনেমায়, যেখানে তার সঙ্গে ছিলেন শাহিদ কাপুর এবং রাশমিকা মানদানা।