Published : 24 Aug 2025, 01:20 PM
আদিবাসী সংগীত-সুরে, লোক সংগীতের ঘ্রাণ মিশিয়ে ‘বাজি’ শিরোনামের প্রেমের গানে মাতালেন সংগীতশিল্পী ইমন চৌধুরী ও কবি ও সংগীতশিল্পী হাশিম মাহমুদ।
‘বাজি’ কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় মৌসুমের চতুর্থ গান, প্রকাশ হয়েছে শনিবার রাতে ।
কোক স্টুডিও বাংলা বলছে, এই গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে আরও একবার সংগীত ও সুরের মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে উদযাপন করেছে তারা।
গানটির কম্পোজিশন, পরিচালনার পাশাপাশি গেয়েছেন ইমন চৌধুরী। তার সঙ্গে হাশিম মাহমুদও কণ্ঠ দিয়েছেন।
সংগীতশিল্পী ইমন চৌধুরী বলেন, “কোক স্টুডিও বাংলার ফিরে আসাটা সত্যিই আনন্দের। সেই সঙ্গে আমরা দারুণ উচ্ছ্বসিত আমাদের শ্রোতাদের জন্য ‘বাজি’ গানটি নিয়ে আসতে পেরে।”
“গানটি আমাদের কাছে খুবই বিশেষ, কারণ এতে শিল্পীরা তাদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছেন। গানটির কথা, সুর, নাচ, ভিজ্যুয়াল—সবকিছু মিলিয়ে এটি এমন এক সুরেলা সমন্বয়, যেখানে একসঙ্গে ধরা পড়েছে বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।”
গানটিতে ফুটে উঠেছে বৈচিত্র্যময় লোকজ সংগীত, আদিবাসী বাদ্যযন্ত্রের মাধুর্য্য এবং প্রাণশক্তিতে ভরপুর লোকশিল্প। সরোদের বাজনায় আধুনিক সুর সৃষ্টি করা হয়েছে, যা লোকস্মৃতির সঙ্গে বর্তমান সুর-সংগীতের এক দারুণ সংমিশ্রণ।
বৃত্তাকারের নাচের সাথে গান করার জন্য টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ‘ধুয়া গানের দল’কেও দেখা গেছে গানটিতে।
‘বাজি’র ধ্বনি আরও সমৃদ্ধ করেছেন বংশীবাদক কিয়ো উ প্রু মারমা এবং তার দাদি, ম্রাকোইচিং মারমা। বান্দরবান পাহাড়ের বাসিন্দা ম্রাকোইচিং গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মারমা ভাষায়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বম সম্প্রদায়ও তাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছে এই গানে। ধ্রুপদী আদিবাসী নৃত্য পরিবেশনা করেছে তারা।
এছাড়া মণিপুরি সম্প্রদায়ের পুং ড্রামাররাও, ‘পুং চোলমের’ অসাধারণ অ্যাক্রোব্যাটিক্স পরিবেশন করেছেন, যা গানের গল্পকে করেছে ছন্দময় ও গতিশীল।
গানটি এখন শোনা যাচ্ছে স্পটিফাই ও কোক স্টুডিও বাংলার অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।