Published : 04 Jul 2026, 02:35 PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্যের অভিযোগে আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।
তাকে বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা এবং ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে সেই নোটিসে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তনয় কুমার সাহা বৃহস্পতিবার ইমেইলে এবি পার্টির এই নেতাকে নোটিস পাঠিয়েছেন।
এছাড়া রোববার ডাকযোগে নোটিসটি পাঠাবেন বলেছেন তিনি।
আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে এই নোটিসের কপি পাঠানো হয়েছে।
নোটিস পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে হাই কোর্টে রিট মামলা করা হবে, বলা হয়েছে নোটিসে।
এতে বলা হয়েছে, গত ১ জুলাই ডাকসু কার্যালয়ে ‘বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ‘অবমাননাকর ও বিদ্বেষপূর্ণ’ মন্তব্য করেন।
তিনি গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জাতীয় ক্ষতির জন্য তাদের দায়ী করে পরিকল্পিতভাবে তারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছেন বলে মন্তব্য করেন।
এছাড়া শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বিভাজন সৃষ্টিকারী গালিগালাজ করার কথাও নোটিসে বলা হয়েছে।
নোটিসে শিক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতি আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। তাকে তার বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক খ্যাতি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা সরাসরি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে’ জমা দিতে বলা হয়েছে।
আইনি নোটিস পাওয়ার বিষয়ে আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বিকাল সাড়ে ৫টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তিনি এমন কোনো নোটিস পাননি।