Published : 15 Jul 2026, 07:08 PM
সোশাল মিডিয়ার ফ্যান্টাসিতে বুঁদ হয়ে থাকা বড় শহরের এক তরুণীর সঙ্গে মফস্বলের এক স্বাধীনচেতা ও দায়িত্বশীল যুবকের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’।
এই গল্পে প্রথমবারের মত জুটি বেঁধেছেন অভিনেতা আরিফিন শুভ ও অভিনেত্রী কেয়া পায়েল।
ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে দেখা যাবে সিনেমাটি। মিনিস্ট্রি অফ লাভ প্রজেক্টের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে এই সিনেমাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে চরকি জানিয়েছে, ’হ্যাপিলি ম্যারিড’ ফিল্মে আরিফিন শুভ অভিনয় করছেন আনিস চরিত্রে। আরিফিন শুভকে সচরাচর অ্যাকশন লুকে দেখা গেলেও এখানে তাকে দেখা যাবে স্বাধীন, আত্মনির্ভরশীল ও একাকী জীবনযাপন করা পুরুষ চরিত্রে।

সিনেমায় নিজের চরিত্র নিয়ে আরিফিন শুভ বলেন, "‘উনিশ২০’ এর পর চরকির সঙ্গে নতুন কাজ করছি। রম-কম ঘরানার কাজ এটা। শুধু বলার জন্য বলা না, এ রকম চরিত্রে কাজ করিনি। দর্শকরা সাধারণত আমাকে যেভাবে দেখে অভ্যস্ত এখানে আমাকে সেভাবে দেখা যাবে না। অর্থাৎ কনভেনশনাল স্ট্রং মেইল ক্যারেক্টারাইজেশন না এটা।"
আরিফিন শুভ আরও জানিয়েছেন, তার চরিত্রটি মফস্বলের অত্যন্ত দায়িত্বশীল এক যুবকের, যার পুরো পৃথিবী জুড়েই রয়েছে পরিবার, ছোট ভাইবোন ও প্রিয় মানুষেরা।
চরকি বলছে, জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় সিনেমার মূল ভাবনা আবর্তিত হয়েছে এ যুগের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে।
গল্পের এক প্রান্তে সহজ-সরল, সৎ যুবক আনিস, অন্যদিকে উচ্চবিত্ত ও আধুনিক শহুরে সংস্কৃতির চাদরে মোড়ানো তরুণী অনামিকা। এ চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল। তার চরিত্রটি আবর্তিত হয়েছে সোশাল মিডিয়ার রোমাঞ্চ, সেলিব্রিটি ফ্যান্টাসি এবং ভার্চুয়াল জগতের মোহনীয় রঙিন স্বপ্নকে ঘিরে।
চরকির সঙ্গে প্রথম কাজ ও সহশিল্পী নিয়ে কেয়া পায়েল বলেন, "বেশ কিছু কারণে খুব ভালো লাগছে, প্রথমত আমার সহশিল্পী আরিফিন শুভ ভাই। দ্বিতীয়ত চরকির সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ, তৃতীয়ত এর নির্মাতা জাহিদ প্রীতম।"
সিনেমার প্রেক্ষাপট নিয়ে পরিচালক প্রীতম বলেন, "কাছাকাছি সময়ের দুইটি সময়ের মানুষের গল্প এটা। তারা তাদের ব্যক্তিসত্তা, পরিবার, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবেন, তার একটা প্রতিফলন পাওয়া যাবে ফিল্মে। আমরা প্রতিদিন যে সামাজিক দূরত্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারে মানুষের যে মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন হচ্ছে এবং এর সাথে আমাদের চিরায়ত পারিবারিক মূল্যবোধের যে সংঘাত, তার এক বাস্তবসম্মত প্রতিচ্ছবি মিলবে এই কনটেন্টে।"

‘মিনিস্ট্রি অফ লাভ’ (এমওএল) প্রজেক্টের এটি হতে যাচ্ছে সপ্তম সিনেমা। প্রজেক্টটি নিয়ে চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, "মিনিস্ট্রি অফ লাভ প্রজেক্টটের প্রতিটি গল্পেই সম্পর্কের ভিন্ন লেয়ার তুলে আনা হয়েছে। এই গল্পেও তেমন একটা সম্পর্কের গল্প দর্শকরা দেখতে পারবেন।"
এর আগে এই প্রজেক্টের অধীনে ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অফ মনোগামী’, ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘ফরগেট মি নট’, ‘৩৬–২৪–৩৬’ এবং ‘ডিমলাইট’ মুক্তি পেয়েছে।