১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মিতু হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন আরও পাঁচজন

এখন পর্যন্ত ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে।

মিতু হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন আরও পাঁচজন

পিবিআই অভিযোগপত্র দেওয়ার পর মিতু হত্যার বিচার চলছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Oct 2023, 09:59 PM

Updated : 11 Jan 2024, 07:34 PM

চট্টগ্রামে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলায় আরও পাঁচজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সোমবার চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন।

সাক্ষীরা হলেন- চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. দেবপ্রতিম বড়ুয়া, এসআই ত্রিরতন বড়ুয়া, কনস্টেবল আলমাছ মিয়া এবং জব্দ তালিকার দুই সাক্ষী সাগর দাশ ও আলাল মিয়া।

এ নিয়ে মামলায় এখন পর্যন্ত ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হল।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী নেছার আহম্মেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আজ সাক্ষ্য দেওয়া চিকিৎসক ময়নাতদন্ত করেছিলেন। পুলিশ সদস্য এসআই ত্রিরতন বড়ুয়া সুরতহাল প্রতিবেদন করেন। অন্য পুলিশ সদস্য আলমাছ মিয়া জব্দ তালিকা প্রস্তুত করেছিলেন।

“অন্য দুজন ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধারের সময় জব্দ তালিকার সাক্ষী হন। তাদের পাঁচজনের জেরা শেষে আদালত আগামী ৬ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।”

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় মিতুকে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তৎকালীন এসপি বাবুল ওই ঘটনার কিছুদিন আগেই চট্টগ্রাম থেকে বদলি হন। তিনি ঢাকায় কর্মস্থলে যোগ দিতে যাওয়ার পরপরই চট্টগ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

সাড়ে তিন বছর তদন্ত করেও ডিবি পুলিশ কোনো কূলকিনারা করতে না পারার পর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।

এরপর ২০২১ সালের মে মাসে পিবিআই জানায়, স্ত্রী মিতুকে হত্যা করা হয়েছিল বাবুল আক্তারের ‘পরিকল্পনায়’। আর এজন্য খুনিদের ‘লোক মারফত তিন লাখ টাকাও দিয়েছিলেন’ বাবুল।

পরে বাবুলের করা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়; মিতুর বাবা আরেকটি মামলা করেন। তবে সেই মামলা আদালতে না টেকায় বাবুলের মামলাটিই পুনরুজ্জীবিত হয়।

গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর সেই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পিবিআই। তাতে বাবুলসহ সাতজনকে আসামি করা হয়। এরপর গত বছরের ১০ অক্টোবর সেই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন

পুরানো খবর:

মিতু হত্যা: আত্মীয় মামুনের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করেছিলেন মুছা

পুরানো খবর:

মিতু হত্যা: দুই আসামির কাছে ‘টাকা পাঠিয়েছিলেন’ বাবুলের বন্ধুর কর্মী

পুরানো খবর:

‘বাবুলের নির্দেশে মিতু হত্যা, স্ত্রীকে বলেছিলেন মুছা’