Published : 14 Jun 2026, 03:48 PM
চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতাকে হত্যার ঘটনায় অংশ নেওয়া পাঁচজনকে শনাক্ত করার তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
মাসুদুল হক চৌধুরী নামের ওই যুবদল নেতার হত্যাকাণ্ডে পিস্তল ও এলজি ব্যবহার হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
তবে রোববার দুপুর পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এই ঘটনায় তখন পর্যন্ত মামলাও হয়নি।

শনিবার বেলা দেড়টার দিকে ৪৫ বছর বয়সি মাসুদুল হককে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি পাশের উপজেলা রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা। ওষুধ কিনতে তিনি চৌমুহনী বাজারে যান বলে পুলিশ জানিয়েছিল।
মাসুদুল হক ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বেতাগী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরীর ছোট ভাই।
হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে, তাতে দেখা যায়, অস্ত্রধারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ঘটনাস্থল চৌমুহনী বাজারে আসে। সেসময় মাসুদুল হক বাজারের একটি ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

অস্ত্রধারীরা যুবদলেরে এই নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তিনি মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরেও অস্ত্রধারীদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি তাকে গুলি করে।
এরপর অস্ত্রধারীরা ফাঁকা গুলি করতে করতে আবার অটোরিকশায় উঠে চলে যায়। এসময় তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুইজনের হাতে লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে।
রোববার বেলা ২টার দিকে রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা ঘটনার ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

“তবে তাদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আমাদের অভিযান চলছে।”
অভিযান চলমান থাকায় শনাক্ত হওয়া অস্ত্রধারীদের পরিচয় জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন ওসি।
হত্যাকান্ডে কি ধরণের অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে জানতে চাইলে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “পিস্তল ও এলজি ব্যবহার করা হয়েছে।”

কি কারণে মাসুদুল হককে হত্যা করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কারণ এখনো জানা যায়নি। জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা গেলে জানা যাবে।”
এই ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি বলেও জানান ওসি সাইফুল।
আগের খবর: