Published : 06 Mar 2026, 05:53 PM
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংশোধিত অধ্যাদেশে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন আবৃত্তিশিল্পীরা।
শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে ‘বাংলাদেশ আবৃত্তিশিল্প রক্ষা কণ্ঠ’ সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদী আবৃত্তি অনুষ্ঠান থেকে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আবৃত্তিশিল্পীরা অভিযোগ করেন, সংশোধিত অধ্যাদেশে শিল্পকলা একাডেমির বিভাগ সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও আবৃত্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পমাধ্যমকে উপেক্ষা করা হয়েছে, যা দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য হতাশাজনক।
লিখিত বক্তব্যে আবৃত্তিশিল্প রক্ষা কণ্ঠ’র পক্ষে জেরিন মিলি বলেন, দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকর্মীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এই অধ্যাদশেটি অনুমোদতি হয়ছে। এর মাধ্যমে একাডেমির বিভাগের সংখ্যা ছয় থেকে বাড়িয়ে নয়টি করা প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
“পুরোনো বিভাগ ভেঙে বেশ কটি নতুন স্বতন্ত্র বিভাগ করা হলেও আবৃত্তি শিল্পকে রাষ্ট্রীয় অবহেলায় অস্তিত্বহীন, গৌণ ও বিলুপ্তপ্রায় করে ফেলা হয়েছে। পুরো অধ্যাদেশে ‘আবৃত্তি’ শব্দটি কোথাও একবারের জন্যও নেই।”
শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ গঠন আইনগতভাবেও সম্ভব উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলন থেকে আবৃত্তিশিল্পীরা বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে এ দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংস্কৃতি মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়।
আবৃত্তিশিল্পীদের সাথে সংহতি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম গ্রুপ থিয়েটার ফোরামের সভাপতি খালেদ হেলাল, কবি ইউসুফ মুহাম্মদ, বাংলাদেশ সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদের সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন বাবু, বাংলাদেশ রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থার সভাপতি লাকী দাশ।
এছাড়াও আবৃত্তি সংগঠক মিশফাক রাসেল ও নাজমুল আলম সাদেকী বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিবাদী আবৃত্তি পরিবেশন করেন নতুন কুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন সাবিলা সুলতান বানী ও আবৃত্তিশিল্পী এটিএম সাইফুর রহমান।
শিল্পকলা অধ্যাদেশ: বাতিল হওয়া ‘আবৃত্তি’ ও ‘প্রশিক্ষণ’ বিভাগের ভবিষ্যৎ কী?