০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

৪ ঘণ্টা পর ঢাকার পথে ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পূর্ব রেলের তরফে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Mar 2026, 04:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:15 PM

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে পুড়ে যাওয়া পাওয়ার কার ও এসি বগি রেখে ৪ ঘণ্টা বাদে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’। 

বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যায় বলে জানান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া। 

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে নতুন পাওয়ার কার আনার পর ট্রেনটি কুমিরা স্টেশন ছেড়ে যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পাওয়ার কার ও এসি বগিটি মেরামতের জন্য চট্টগ্রামের কারখানায় নিয়ে আসা হয়েছে।” 

বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৬টার কিছু পরে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট বিএমএ গেইটের কাছে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুন লাগে। আগুন পাশের একটি এসি বগিতেও ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৮টার দিকে ট্রেনের পাওয়ার কার ও বগিটির আগুন নির্বাপণ করে ফায়ার সার্ভিস। 

আগুন লাগার কারণে চট্টগ্রামের সাথে ঢাকা ও সিলেটের রেল যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেন সুবর্ণ এক্সপ্রেসের যাত্রা কিছূটা বিলম্ব হয়। 

ডিআরএম মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া বলেন, “দুর্ঘটনাস্থলে লাইন দুটি থাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়নি। তবে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ফৌজদারহাট ও ভাটিয়ারি স্টেশনে ৪০ মিনিটের মতো অপেক্ষায় ছিল। 

“এছাড়া ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনও ১০ মিনিট দেরিতে দুর্ঘটনাস্থল এলাকা পার হয়।” 

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পূর্ব রেলের তরফে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। পূর্ব রেলের ডিটিও আনিসুর রহমানকে প্রধান করে করা কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের কর্মকর্তারা জানান, চট্টলা এক্সপ্রেসে পাওয়ার কারসহ ১৮টি বগি ছিল। পেছন দিক থেকে ছয় নম্বরে থাকা পাওয়ার কার এবং একটি এসি বগি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুনের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।