Published : 09 May 2026, 09:33 PM
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার জাংগালিয়া এলাকায় দুই বাসের সংঘর্ষে হতাহতদের মধ্যে চারজন পরস্পরের বন্ধু বলে জানিয়েছেন পুলিশ ও তাদের বন্ধুরা।
বান্দরবান ও কক্সবাজারে বেড়ানো শেষে শনিবার তারা ঝিনাইদহে ফেরার জন্য বাসে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুই বাসের সংঘর্ষে দুই বন্ধুর প্রাণ গেছে, আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন দুজন।
নিহত দুই বন্ধু নাঈমুল ইসলাম জিহাদ (২৩) ও মো. নাঈম ছাড়াও দুর্ঘটনায় আরও দুজনের প্রাণ গেছে। তারা হলেন- চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বাসিন্দা রেহেনা বেগম (৬৫) ও ভোলার বাসিন্দা মনির আহমেদ (২০)।
দুর্ঘটনায় জিহাদ ও নাঈমের বন্ধু দ্বীপ দত্ত আর মো. মাসুমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহত বন্ধুরা সবাই ঝিনাইদহের বাসিন্দা ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থী।
তাদের এক বন্ধু মো. জিসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের ১২ জন বন্ধু সোমবার বান্দরবান গিয়েছিল। সেখানে দুই রাত থেকে কক্সবাজারে যায়। তাদের মধ্যে চারজন শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি চলে যায়, আর আটজন শনিবার ঢাকা হয়ে ঝিনাইদহ যাওয়ার কথা ছিল। পথে ঘটে দুর্ঘটনা।”
পুলিশ বলছে, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী মারছা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একই কোম্পানির আরেকটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজন আর হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও তিনজনের প্রাণ যায়।
লোহাগাড়া থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, রেহেনা বেগম ঘটনাস্থলে মারা গেছেন। অপর তিনজন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা গেছেন।
হতাহতদের বন্ধু জিসান বলেন, “আমরা চার বন্ধু শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনে কক্সবাজার যাচ্ছিলাম। তাদের (হতাহত) সঙ্গে রাতেও কথা হয়েছিল। তারা বলেছিল, আমরা (কক্সবাজারে) পৌঁছানোর পর দেখা করে (বাড়ি) চলে আসবে।
“শনিবার সকালে আমি দ্বীপকে (আহত) ফোন দিলে সে জানায় তারা (বাড়ি) চলে যাচ্ছে। পরে ঝিনাইদহ থেকে ফোনে আমাদের জানানো হয়েছে বন্ধুরা অ্যাক্সিডেন্ট করেছে।”
আহত দ্বীপ ও মাসুমের পা ভেঙেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে বলে জানান জিসান।
আরও পড়ুন-