১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রাবার শিল্প উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

মন্ত্রী জানান, রাবার চাষে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করতে পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৩ হাজার একর জমি ইজারা দেওয়া হয়েছে।

রাবার শিল্প উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

বুধবার চট্টগ্রামে প্রাকৃতিক রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পপণ্য মেলার উদ্বোধন করেন পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Sep 2022, 09:42 PM

Updated : 07 Sep 2022, 09:42 PM

রাবার চাষে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করতে সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৩ হাজার একর জমি ইজারা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

বুধবার চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে বাংলাদেশ রাবার বোর্ড আয়োজিত প্রথম প্রাকৃতিক রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পপণ্য মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য দেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন প্রায় ৪০ হাজার একর জমিতে ১৮টি রাবার বাগান তৈরি করেছে। বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারি ৩৩ হাজার একর জমি রাবার চাষের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে।

“পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ১৩ হাজার ২০০ একর জমিতে রাবার চাষের উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ করছে রাবার বোর্ড।”

রাবার চাষে সংশ্লিষ্টদের সংগঠিত হয়ে এ খাতের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “সরকার রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও প্রসারে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের রাবার শিল্প এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে রাবার শিল্পের অবদান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে উৎপাদিত উন্নত মানের রাবার অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।”

শাহাব উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট রাবার ও রাবারভিত্তিক শিল্পের সম্প্রসারণ ও বিকাশের লক্ষ্যে বিভিন্ন গবেষণা সফলভাবে সম্পাদন করেছে। এ খাতের উন্নয়ন হলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে, বেকার সমস্যা সমাধানে তা ভূমিকা পালন করবে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।

বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দা সারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিটের পরিচালক ড. রফিকুল হায়দার ও এফবিসিসিআই পরিচালক সৈয়দ মোয়জ্জেম হোসেন বক্তব্য দেন।