২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
এতে সরকারের বিল আদায়ের হার বাড়বে এবং আর্থিক বোঝা কমবে বলে মনে করছেন তিনি।
দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন খাতকে বেগবান করতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
অর্থনৈতিক তত্ত্ব বলে, সুদহার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কিছুটা বেশি হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির বড় কারণ সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, সরবরাহে সমস্যা।
“এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে কথা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সক্ষম ও স্থিতিশীল হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য,” বলেন গভর্নর
“মূলধন যন্ত্রপাতির আমদানিও কমেছে। তাতে কর্মসংস্থানের ওপর একটা বিরূপ প্রভাব পড়ছে। আমি এটাকে একটা দুশ্চিন্তা মনে করি।”
উচ্চ সুদহারসহ বেশ কয়েকটি কারণে এ হার ৮ শতাংশের বেশি উঠছে না বলে তুলে ধরেছেন ব্যবসায়ী ও ব্যাংকাররা।
মাঝে মার্চে প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা বাড়লেও পরের মাস এপ্রিলে তা আবার কমে যায়।
“কস্ট অব ডুয়িং বিজনেসকে বিবেচনায় রেখে ব্যবসা করতে হয়। কেউ লোকসান দিয়ে ব্যবসা করতে চান না। তাই বর্তমানে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে।”