Published : 17 Feb 2026, 01:10 PM
ভারতীয় টিভি চ্যানেলে আলোচনায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান ও দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভিকে একহাত নিয়েছিলেন শোয়েব আখতার। কিন্তু পাকিস্তানি টিভিতে কথোপকথনে বদলে গেল তার বক্তব্য। পাকিস্তানের সাবেক গতি তারকা বলছেন, ভারতীয় চ্যানেলে তার কথা ‘টুইস্ট’ করা হয়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের বড় পরাজয়ের পর শোয়েব কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন নাকভি। এবিপি নিউজে আলোচনায় তিনি বলেছিলেন, অযোগ্য লোকের কাঁধে পড়েছে পাকিস্তান ক্রিকেটের দায়িত্ব।
“দেখুন, যদি আমাকে আপনাদের চ্যানেল চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়, যদি চ্যানেলের চেয়ারম্যান বানানো হয়… একটা চ্যানেল কীভাবে চালাতে হয়, আমি এসবের কী জানি! এরকমই একজন লোক, যে কিছুই বোঝে না (ক্রিকেটের), সে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়ে গেছে, সে কি করতে পারে? দল কীভাবে চলবে…!”
“দুনিয়াতে সবচেয়ে বড় অপরাধ কোনটি, জানেন? সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো একজন অদক্ষ ব্যক্তিকে যখন বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়। আপনি যখন কোনো অদক্ষ ও অজ্ঞ ব্যক্তিকে বড় দায়িত্ব দেবেন, সে দেশ ধ্বংস করে দেবে। যে কোনো কিছু ধ্বংস করে দেবে। উদাহরণ তো আপনার সামনেই আছে, আপনি বিচক্ষণ…।”
কিন্তু পাকিস্তানের এআরওয়াই ডিজিটাল চ্যানেলে ৫০ বছর বয়সী সাবেক ফাস্ট বোলার বলছেন, নাকভিকে নিয়ে তিনি এসব বলেননি।
“অদক্ষ ও অজ্ঞ’ শব্দগুলি আমি মহসিন ভাইকে নিয়ে বলিনি। কথা শুনে মনে হতে পারে তাকেই বুঝিয়েছি। কিন্তু অদক্ষতা বলতে আমি আসলে বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে বুঝিয়েছি যে, এরকম লোক যে কোনো প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করতে পারে। মহসিন নাকভিকে নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট যারা চালাচ্ছে, সেই শীর্ষ লোকদের দিকে ইঙ্গিত করেছি আমি। টিভি চ্যানেল এটা ‘টুইস্ট’ করেছে।”
“এই অনুষ্ঠানে আমি বলেছি, মহসিন ভাইকে নিয়ে ভুল কিছু বলবেন না, আমি এটা মেনে নেব না। তিনি ভালো মানুষ। পাকিস্তান ক্রিকেটকে তিনি সহায়তা করতে চান, কিন্তু সঠিক পরামর্শ পান না।”
নাকভির ওপর অবশ্য একটি ব্যাপারে ক্ষোভের কথা বললেন শোয়েব। তার মতে, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা থেকে সরে আসা ঠিক হয়নি।
“আমি তার ওপর ক্ষুব্ধ কারণ তিনি একটি অবস্থান নিলেও সেটায় অটল থাকেননি। পুরো সম্প্রদায় তার পাশে ছিল এখানে। ইউ-টার্ন নেওয়ার আগে তিনি আমার সঙ্গে কথা বলতে পারতেন।”