Published : 09 Feb 2026, 01:37 PM
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তটি এসেছে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে। আইসিসির সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর তাই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) অপেক্ষা করছে সরকারের সঙ্গে আলোচনার। গণমাধ্যমের খবর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শারিফের সঙ্গে কথা বলবেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
বাণিজ্যক দিক থেকে বিশ্বকাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচটি নিয়ে চলমান টানাপোড়েনের ইতি টানতে রোববার পিসিবি প্রধান নাকভির সঙ্গে জরুরি সভা করেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাওয়াজা।
আইসিসি ও পিসিবির লাহোরের ওই সভায় ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। সেখানে তার ভূমিকা কী কিংবা কোন পক্ষের আমন্ত্রণে তিনি সেখানে গেছেন, সেটা স্পষ্ট নয়।
সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য আইসিসিকে পিসিবির নানা শর্ত দেওয়ার কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বের হয়েছে। তবে সংবাদমাধ্যমগুলোয় আসা খবরে শর্তগুলোর মধ্যে ভিন্নতা আছে। আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানো পর্যন্ত তাই সংশয় থাকছেই।
পাকিস্তানের জিও নিউজ সূত্রের বরাত দিয়ে তাদের প্রতিবেদনে লেখেছে, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য দুয়েক দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন নাকভি। এরপর আগামী রোববারের লড়াইটি নিয়ে আসতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
কিছুদিন আগে শাহবাজ শারিফ বলেছিলেন, নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন তারা। আইসিসির সঙ্গে পিসিবি ও বিসিবির সভার পর এখন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ভাগ্য নির্ভর করছে তার সিদ্ধান্তের ওপর।
বিশ্বকাপের এই জটিল পরিস্থিতির শুরু আসরের পর্দা ওঠারও এক মাস আগ থেকে। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দল থেকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতের বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানায় বিসিবি।
আইসিসির সঙ্গে দফায় দফায় সভা করেও ভারত থেকে ম্যাচ সরানোর দাবি পূরণ করতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। নিজেদের অবস্থানে বাংলাদেশ অনড় থাকলে তাদেরকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বৈশ্বিক আসরের টিকেট দেয় আইসিসি।
ওই সময়ই আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন নাকভি। তখন পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বয়কটের একটি আলোচনাও ওঠে।
তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেয় দেশটির সরকার। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না বলেও জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে।