Published : 08 Mar 2026, 05:00 PM
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ইংল্যান্ডের আগে ছিটকে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। অথচ তাদের আগে ভারত ছাড়ছে ইংলিশরা। আইসিসির এমন ‘বৈষম্যমূলক’ আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দুই প্রোটিয়া তারকা ক্রিকেটার কুইন্টন ডি কক ও ডেভিড মিলার।
গত রোববার ভারতের বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর প্রথম সেমি-ফাইনালে বুধবার নিউ জিল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। পরদিন রান বন্যার দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে হেরে যায় ইংল্যান্ড।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের কারণে বিমান যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার পরপরই ভারত ছাড়তে পারেনি দল তিনটি। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো শনিবার জানায়, আটকে পড়া দলগুলোর জন্য চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে আইসিসি। শনিবার মুম্বাই থেকে সরাসরি লন্ডনে যাবে ইংলিশরা।
কলকাতা থেকে একই চার্টার ফ্লাইটে জোহানেসবার্গে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দল। সেখান থেকে ক্যারিবিয়ানদের অ্যান্টিগায় পাঠানো হবে।
ইএসপিএনক্রিকইনফোর সেই প্রতিবেদনেই বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফ্লাইট কবে সেটা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে রোববার ফ্লাইটটি ছাড়ার একটি সম্ভাবনার কথা জানায় তারা।
ওই প্রতিবেদনের ফটোকার্ড ইনস্টগ্রামে পোস্ট করেন ডি কক। দক্ষিণ আফ্রিকান কিপার ব্যাটসম্যান সেখানে আইসিসিতে দলগুলোর প্রভাবের পার্থক্যের কথা বলেন তিনি।
“খুবই হাস্যকর আইসিসি। আমরা এখনও কিছুই শুনিনি! অথচ, ইংল্যান্ড কীভাবে যেন আমাদের আগেই চলে যাচ্ছে? ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও প্রোটিয়ারা স্রেফ অন্ধকারে আছে। অদ্ভুত লাগে, কীভাবে কিছু দলের অন্যদের চেয়ে বেশি প্রভাব থাকে।”
ডি ককের ওই পোস্টে দুটি কমেন্ট করেন তার সতীর্থ মিলার। সেখানে ইংল্যান্ডকে আইসিসির প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়টি তোলেন তিনিও। ক্যারিবিয়ানদের কোচ ড্যারেন স্যামি, যিনি ভারতকে আটকে পড়া নিয়ে এক্স-এ বেশ কয়েকটি পোস্ট করেন, তাকেও ট্যাগ করেন মিলার।
“এটা খুবই হাস্যকর যে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার পর বাদ পড়েছে ইংল্যান্ড এবং আজ রাতে তারা চার্টার্ড ফ্লাইটে করে দেশে ফিরছে। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা এখন কলকাতায় কিছু জানার অপেক্ষায় আছে।”
“ড্যারেন স্যামি, ইংল্যান্ডের জন্য চার্টার ব্যবস্থা করতে সময় নেয়নি আইসিসি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাত দিন ধরে চার্টারের জন্য অপেক্ষা করছে আর দক্ষিণ আফ্রিকার চার দিন চলছে। তবুও আমরাই অপেক্ষা করছি।”