Published : 10 Feb 2026, 11:26 PM
একটা মাত্র লক্ষ্য নিয়ে ভারত ম্যাচ বয়কট করেছিল পাকিস্তান, বলেছেন দেশটির ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা পিসিবির প্রধান মহসিন নাকভি। তার দাবি, নিজেদের কোনো চাওয়া পূরণ নয়, বাংলাদেশের জন্য সম্মান আদায়ই ছিল তাদের লক্ষ্য।
গত ১ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দেয় পাকিস্তান সরকার। পিসিবি, বিসিসি ও আইসিসির আলোচনার পর কয়েকটি বিবৃতি আসে। এর একটিতে বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান সরকার।
আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচ খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশকে কোনো শাস্তি দেবে না তারা এবং ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করতে দেওয়া হবে।
পেশাওয়ারে সংবাদকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে মঙ্গলবার এসব নিয়ে কথা বলেন পিসিবি প্রধান নাকভি।
“বাংলাদেশ ছাড়া আমাদের আর কোনো শর্ত ছিল না। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের জন্য কিছুটা সম্মান আদায়। তাদের প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে, সেটা আমরা ঠিক করতে চেয়েছি।”
আলোচিত এই ঘটনা ও সমস্যার সূত্রপাত গত মাসে, আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর। এর পাল্টা জবাবে নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। ম্যাচগুলো সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবি তোলে বিসিবি।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দাবি নাকচ করে দেয় আইসিসি। বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অনড় থাকলে তাদেরকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা। তখনই আইসিসির এমন সিদ্ধান্ত দ্বিচারিতার সামিল বলে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে পাকিস্তান। নাকভি বলেন, বাংলাদেশের প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে, সেটা ঠিক করাই ছিল তাদের ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য।
“আপনারা দেখেছেন, বাংলাদেশ যা চেয়েছে, সেটাই গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের নিজস্ব কোনো লক্ষ্য এই ক্ষেত্রে ছিল না। তারা যা ইচ্ছা বলতে পারে, তবে আমাদের প্রচেষ্টা ছিল সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের জন্য। এই জন্যই সরকার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যখন তাদের দাবি পূরণ হয়েছে এবং মেনে নেওয়া হয়েছে যে অন্যায় করা হয়েছে, এরপর আমরা আবার খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”