ভারত-পাকিস্তান ফাইনালের জন্য আরও অপেক্ষা করতে বললেন বাটলার

উপমহাদেশের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের ফাইনাল হতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রাখতে পেরে উচ্ছ্বসিত ইংলিশ অধিনায়ক।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 Nov 2022, 04:20 PM
Updated : 10 Nov 2022, 04:20 PM

যেই কথা, সেই কাজ। বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য ফাইনালের রোমাঞ্চে জল ঢেলে দিতে চেয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলার। ভারতকে সেমি-ফাইনাল থেকে বিদায় করে নিজেরা শিরোপা লড়াইয়ের মঞ্চে জায়গা করে নেওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত তিনি। উপমহাদেশের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের ফাইনাল দেখার আশায় ছিলেন যারা, তাদের আরও অপেক্ষা করতে বললেন বাটলার। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে বৃহস্পতিবার ভারতকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে মেলবোর্নের ফাইনালে পা রাখে ইংল্যান্ড। অ্যাডিলেইডে ভারতের ১৬৮ রান বাটলার ও অ্যালেক্স হেলসের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতে ইংলিশরা পেরিয়ে যায় ৪ ওভার বাকি থাকতেই। 

আগের দিন প্রথম সেমি-ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে পাকিস্তান। তাতে ভারত-পাকিস্তান ফাইনালের সম্ভাবনাও তৈরি হয়ে যায়। আসরে দল দুটির অভিযানও শুরু হয়েছিল মুখোমুখি লড়াই দিয়ে। 

এমনিতে দল দুটির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয় না বহুদিন ধরে। এখন শুধু এসিসি কিংবা আইসিসি টুর্নামেন্টেই দেখা হয় তাদের। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরের পর আরেকবার ভারত-পাকিস্তান ফাইনালের প্রহর গুণছিল অনেকেই। 

তবে, তেমন কিছু হতে না দেওয়ার প্রত্যয় বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্ত করেছিলেন বাটলার, “আমরা তা মোটেও চাই না! এটা যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করার সবরকম চেষ্টাই আমরা করব!” 

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর বাটলারের সংবাদ সম্মেলনে স্বাভাবিকভাবেই উঠল প্রসঙ্গটি। কথা রাখতে পেরে খুশি ইংলিশ অধিনায়ক।   

“কিছু লোক অবশ্যই ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল চেয়েছিল। তবে আমরা ফাইনালে যেতে মরিয়া ছিলাম। আমরা চেয়েছিলাম…যেমন আমি বলেছিলাম, সেই উৎসব নষ্ট করে দিতে চাই...ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম ম্যাচ দেখার পর অনেক লোক আছে যারা এমন আরেকটি ম্যাচ দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের আরেকবারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।” 

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আগামী রোববার হবে ফাইনালে। এই মাঠেই ১৯৯২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পাকিস্তান। সংস্করণ ভিন্ন হলেও ইংলিশদের সামনে এবার সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক