Published : 02 Dec 2025, 10:24 PM
সিরিজ শুরুর আগে প্রধান নির্বাচকের ভাবনা ছিল, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে খেলানো জরুরি এখনই। কিন্তু সেটির প্রতিফলন পড়ল না সিরিজজুড়ে। একটি ম্যাচেও মাঠে নামানো হলো না এই ব্যাটসম্যানকে। তাতে আড়াল থেকে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে রেষারেষির নানা কথা। অধিনায়ক লিটন কুমার দাস অবশ্য উড়িয়ে দিলেন সেসব।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের স্কোয়াডে মাহিদুলকে নেওয়া হয় শামীম হোসেনকে বাদ দিয়ে। শামীমকে দলে না নেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সিরিজ শুরুর আগের দিন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন লিটন। কাঠগড়ায় দাঁড় করান নির্বাচকদের ও বোর্ডকে। প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন সেদিনই পাল্টা জবাব দেন ভিডিও বার্তায়।
প্রধান নির্বাচকের যুক্তি ছিল, চার-পাঁচ নম্বর পজিশনের জন্য বিকল্প কাউকে দেখতে চান তারা এবং বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজই শেষ সুযোগ মাহিদুলকে বাজিয়ে দেখার। কিন্তু অন্য সবাই ম্যাচ খেললেও কেবল মাহিদুলই মাঠে নামার কোনো সুযোগ পাননি। এমনকি তৃতীয় ম্যাচের আগে দলে যোগ করা শামীমকে খেলানো হয় এই ম্যাচে। কিন্তু মাহিদুলের জায়গা হয়নি।
স্কোয়াড গড়ায় নির্বাচক কমিটি মূল ভূমিকা পালন করলেও একাদশ গড়েন মূলত কোচ-অধিনায়কসহ টিম ম্যানেজমেন্ট মিলে। নির্বাচকদের ভূমিকা সেখানে তেমন থাকে না।
সিরিজ শুরু অধিনায়কই জানালেন মাহিদুলকে না খেলার কারণ।
“আমি বলব সে দুর্ভাগা। যেহেতু তিনটা ম্যাচই আমরা খেলেছি, ওই জায়গার ওই পজিশনে আমরা তিনজনকে ঘুরিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। আরও বেশি ম্যাচ থাকলে হয়তো তাকেও চেষ্টা করে দেখতাম। ওদিক দিয়ে আমাদের অনেক পরিকল্পনা করতে হয়।”
প্রধান নির্বাচকের সঙ্গে অধিনায়কের জেদাজেদির বলি মাহিদুল হলেন কি না, এমন প্রশ্নও ছুটে গেল। অধিনায়ক তেমন কিছু দেখছেন না।
“না না….আমি আগেই বলেছি যে বাংলাদেশের হয়ে যারাই ১৫ জনের দলে আসে, তারা সেরা হয়েই আসে। আপনি সবাইকে একসঙ্গে খেলাতে পারবেন না। দল ১৫ জনের হোক বা ১৭ জনের, একাদশই কেবল সাজাতে পারবেন। খেলবে কেবল ১১ জন। আমরা প্রত্যেকটা দিন চেষ্টা করেছি আমাদের সেরা একাদশ খেলানোর জন্য। যদি আরও ম্যাচ থাকতো, তাহলে চেষ্টা করা যেত।”