Published : 06 Feb 2026, 01:06 AM
রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ ওভারে পরপর দুটি চার মেরে জয় নিশ্চিত করে হুঙ্কার ছাড়লেন রাধা ইয়াদাভ। ডাগআউট থেকে মাঠে ছুটে গেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অন্য ক্রিকেটাররা। চলতে থাকল তাদের আনন্দ-উল্লাস। বিপরীত চিত্র অন্য পাশে, দিল্লি ক্যাপিটালসের ক্রিকেটার আর কোচিং স্টাফের সদস্যদের চোখে-মুখে তখন রাজ্যের হতাশা। আরও একবার খুব কাছে গিয়ে স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় পুড়তে হলো দলটিকে।
রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে উইমেন’স প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ আসরে চ্যাম্পিয়ন হলো বেঙ্গালুরু। সবশেষ তিন আসরের মধ্যে তারা শিরোপা জিতল দুটি, দুবারই মান্ধানার নেতৃত্বে।
অন্যদিকে, চার আসরের সবকটিতে ফাইনালে হারের তেতো অভিজ্ঞতা হলো দিল্লির।
চতুর্থ আসরের ফাইনালে বেঙ্গালুরুর জয় ৬ উইকেটে।
ভাদোদারায় বৃহস্পতিবার ২০ ওভারে দিল্লি তোলে ৪ উইকেটে ২০৩ রান।
৩৭ বলে ৮ চারে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন অধিনায়ক জেমিমা রদ্রিগ্স। লরা উলভার্ট ২৫ বলে করেন ৪৪ রান, ৩০ বলে ৩৭ লিজেল লি।
বেঙ্গালুরু লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে দুই বল হাতে রেখে।
উইমেন’স প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ রান তাড়ার নজির এটি। আগের রেকর্ডও ছিল বেঙ্গালুরুর। ২০২৫ আসরের প্রথম ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ২০২ রানের লক্ষ্য ছুঁয়েছিল তারা ৯ বল হাতে রেখে।
১২ চার ও ৩ ছক্কায় ৪১ বলে ৮৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ফাইনালের সেরা মান্ধানা। দ্বিতীয় উইকেটে এই ভারতীয় তারকা ও জর্জিয়া ভোলের ৯২ বলে ১৬৫ রানের জুটিই মূলত গড়ে দেয় ব্যবধান।
প্রতিযোগিতাটিতে যেকোনো উইকেটেই জুটির রেকর্ড এটি।
অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার ভোল করেন ৫৪ বলে ৭৯ রান।
শেষের আগের ওভারে মান্ধানা যখন আউট হন, তখন বেঙ্গালুরুর প্রয়োজন ছিল ৮ বলে ১৩ রান। পরের বলে রাধা ইয়াদাভের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন মিনু মানি। সেই রাধাই শেষ ওভারে বেঙ্গালুরুর জয়ের নায়ক।
শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১০ রান। বাঁহাতি স্পিনার শ্রি চারানির প্রথম দুই বলে রান আসে দুটি। পরের দুই বলে চমৎকার দুটি শটে চার মেরে দলকে উল্লাসে ভাসান রাধা।