১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সেপ্টেম্বরের সেরার লড়াইয়ে আভিশেক-কুলদিপ-বেনেট

মেয়েদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন স্মৃতি মান্ধানা, তাজমিন ব্রিটস ও সিদরা আমিন।

সেপ্টেম্বরের সেরার লড়াইয়ে আভিশেক-কুলদিপ-বেনেট
খুনে ব্যাটিংয়ে এশিয়া কাপে সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন আভিশেক শার্মা। ছবি: ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিম ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Oct 2025, 05:35 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:25 PM

এশিয়া কাপে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে টুর্নামেন্ট-সেরা হওয়া আভিশেক শার্মা পেতে পারেন আরেকটি দারুণ স্বীকৃতি। ‘আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ’ এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় ওপেনার। সেপ্টেম্বরের সেরার লড়াইয়ে আরও আছেন তার স্বদেশি স্পিনার কুলদিপ ইয়াদাভ ও জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান ব্রায়ান বেনেট। 

গত মাসের সেরার লড়াইয়ে মনোনীত পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদের নাম মঙ্গলবার প্রকাশ করে আইসিসি। মেয়েদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন ভারতের ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা, দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার তাজমিন ব্রিটস ও পাকিস্তানের ব্যাটার সিদরা আমিন।

আভিশেক শার্মা (ভারত)

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতের এশিয়া কাপ জয়ের পথে সাত ম্যাচে ৪৪.৮৫ গড়ে আভিশেক করেন ৩১৪ রান। স্ট্রাইক রেট ছিল চোখ কপালে তোলার মতো, ২০০!

আসরে আর কেউ তিনশ রান করতে পারেননি। ২৬১ রান করে তালিকার দুই নম্বরে থেকে আসর শেষ করেন শ্রীলঙ্কার পাথুম নিসাঙ্কা। 

সুপার ফোর পর্বে তিন ম্যাচের সবকটিতে পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংস খেলেন আভিশেক। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৯ বলে ৭৪, বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩৭ বলে ৭৫ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩১ বলে ৬১ রান করেন তিনি। 

কুলদিপ ইয়াদাভ (ভারত)

সাত ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টি সংস্করণের এশিয়া কাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন কুলদিপ। অভিজ্ঞ বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার ওভারপ্রতি রান দেন কেবল ৬.২৭ করে। 

ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে লক্ষ্য দেড়শর নিচে রাখতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। আসরে প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৪ উইকেট নেন তিনি স্রেফ ৭ রান দিয়ে।

ব্রায়ান বেনেট (জিম্বাবুয়ে)

গত মাসে জিম্বাবুয়ের হয়ে ৯টি টি-টোয়েন্টি খেলে বেনেট করেন ৪৯৭ রান। গড় ছিল ৫৫.২২ আর স্ট্রাইক রেট ১৬৫.৬৬।

শ্রীলঙ্কা ও নামিবিয়ার বিপক্ষে সিরিজে সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন ২১ বছর বয়সী এই ওপেনার। পরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে প্রথম তিন ম্যাচে খেলেন ৭২, ৬৫ ও ১১১ রানের ইনিংস।  

স্মৃতি মান্ধানা (ভারত)

বিবেচিত সময়ে চারটি ওয়ানডে খেলে ৭৭ গড় ও ১৩৫.৬৮ স্ট্রাইক রেটে মান্ধানা করেন ৩০৮ রান। ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে তিন ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৫৮, ১১৭ ও ১২৫ রানের ইনিংস। তৃতীয় ম্যাচে ৫০ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে ভারতের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন বাঁহাতি ওপেনার।

সিদরা আমিন (পাকিস্তান)

ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন সিদরা। তিন ম্যাচে ২৯৩ রান করেন তিনি অবিশ্বাস্যভাবে ২৯৩ গড় ও ৮২.৭৬ স্ট্রাইক রেটে। অপরাজিত ১২১, ১২২ ও অপরাজিত ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। 

তাজমিন ব্রিটস (দক্ষিণ আফ্রিকা)

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচে খেলে দুটিতেই সেঞ্চুরি করেন ব্রিটস। অপরাজিত ১০১ ও অপরাজিত ১৭১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। দুই ম্যাচই জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হেরে যাওয়া শেষ ম্যাচে খেলতে না পারলেও সিরিজ-সেরার স্বীকৃতি পান ব্রিটস।