আইপিএল
Published : 27 Apr 2026, 10:46 PM
ম্যাচের দ্বিতীয় বলে সাহিল পারাখকে বোল্ড করে দিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। পরের ওভারে জোড়া শিকার ধরলেন জশ হেইজেলউড। তাদের একের পর এক ছোবলে দিল্লি ক্যাপিটালসকে অল্পতে গুঁড়িয়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
ঘরের মাঠ আরুন জেটলি স্টেডিয়ামে সোমবার স্রেফ ৮ রানে প্রথম ছয় উইকেট হারায় দিল্লি। পঞ্চাশের আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়া দলটি কোনোমতে ৭৫ পর্যন্ত যেতে পারে।
পাওয়ার প্লেতে ৬ উইকেট হারানো দিল্লি কেবল ১৩ রান করতে পারে। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ছয় ওভারে যা সর্বনিম্ন।
অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি এতদিন ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসের। ২০২২ সালে রাজস্থানের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪ রান করেছিল সানরাইজার্স। আর ২০০৯ সালে বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ১৪ রান করতে ২ উইকেট হারিয়েছিল রাজস্থান।
এই তালিকায় এখন তৃতীয় স্থানে চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১১ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২ উইকেটে ১৫ রান করেছিল তারা।
আইপিএলে কোনো ইনিংসের পাওয়ার প্লেতে এর চেয়ে বেশি উইকেট পড়ার নজির নেই। ২০১১ সালে ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে প্রথম ছয় ওভারে ৬ উইকেট হারিয়েছিল কোচি টাস্কার্স কেরালা।
টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া বেঙ্গালুরুর বোলিংয়ে সুরটা বেঁধে দেন ভুবনেশ্বর। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম দুই বলে লোকেশ রাহুল ও সামির রিজভিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান হেইজেলউড।
হ্যাটট্রিক বলটিতে চার মেরে রানের খাতা খোলা ট্রিস্টান স্টাবসকে তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে বিদায় করে দেন ভুবনেশ্বর। দুই বল পর আকসার প্যাটেলকেও ফেরান তিনি। হেইজেলউডের বলে বিদায় ঘণ্টা বাজে নিতিশ রানারও।
ভীষণ বিপদে পড়া দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন ডেভিড মিলার ও আভিশেক পোরেল। নবম ওভারেও অভিজ্ঞ মিলারকে ফিরিয়ে তাদের ৩৫ রানের জুটি ভাঙেন রাসিখ সালাম দার।
একটি করে ছক্কা-চার মারা কাইল জেমিসনকে টিকতে দেননি ক্রুনাল পান্ডিয়া। সপ্তদশ ওভারে পোরেলকে বোল্ড করে দিল্লির ইনিংস গুটিয়ে দেন হেইজেলউড। তিন চারে ৩৩ বলে ৩০ রান করেন পোরেল।
স্রেফ ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন হেইজেলউড। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ান পেসারের এটা সেরা বোলিং। ৩ ওভারে কেবল ৫ রান দিয়ে ৩ শিকার ধরেন ভুবনেশ্বর।